১২/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১২-[১৪] - শহীদের ঋণ ছাড়া সব গুনাহ ক্ষমা
দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - প্রথম অনুচ্ছেদ
শহীদের ঋণ ছাড়া সব গুনাহ ক্ষমা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯১২-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯১২-[১৪]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يُغْفَرُ لِلشَّهِيدِ كل ذَنْب إِلَّا الدّين». رَوَاهُ مُسلم
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : শহীদের ঋণ ছাড়া সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৮৮৬, আহমাদ ৭০৫১, সহীহ আল জামি‘ ৮১১৯, সহীহ আত্ তারগীব ১৩৫৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১২-[১৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, শহীদের ঋণ ছাড়া সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। বাক্যটি ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা খুব গভীর। শহীদ হওয়া ইসলামে বড় মর্যাদার বিষয়। তবুও ঋণের দায় আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ ঋণ মানুষের অধিকার। কেউ কারও কাছ থেকে মাল বা টাকা নিয়ে থাকলে তা শুধু তার ব্যক্তিগত বিষয় নয়; অন্য মানুষের পাওনা এতে জড়িত। তাই এই হাদিস মুসলিমকে ঋণ বিষয়ে সতর্ক করে। ঋণ থাকলে তা পরিশোধের চেষ্টা করা, পরিবারের কাছে জানানো এবং অবহেলা না করা জরুরি। হাদিসটি ঋণকে হালকা করে দেখার মানসিকতা থেকে দূরে রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শহীদের মর্যাদা বড় হলেও ঋণের দায় আলাদা।
- মানুষের পাওনা পরিশোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ঋণ থাকলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।
- নেক আমল মানুষের অধিকার নষ্ট করার অজুহাত নয়।
