১২/৮. অধ্যায়ঃ
দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২৯১১-[১৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৯১১-[১৩]
وَعَن أبي قَتَادَة قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ قُتِلْتُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ صَابِرًا مُحْتَسِبًا مُقبلا غير مُدبر يكفر اللَّهُ عَنِّي خَطَايَايَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَعَمْ» . فَلَمَّا أَدْبَرَ نَادَاهُ فَقَالَ: «نَعَمْ إِلَّا الدَّيْنَ كَذَلِكَ قَالَ جِبْرِيلُ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ ক্বতাদাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জানতে চাই, যদি দৃঢ়পদ থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে পশ্চাদপদ না হয়ে সম্মুখপানে অগ্রসর হয়ে আল্লাহর পথে শাহীদ হই, তবে কি আল্লাহ আমার সব গুনাহ মাফ করে দেবেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর ঐ লোক চলে যেতে উদ্যত হলে পিছন থেকে তিনি (ﷺ) তাকে ডেকে বললেন, কিন্তু ঋণ ক্ষমা করা হবে না। জিবরীল (আঃ) এসে এ কথাটিই বলে গেলেন।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৮৮৫, নাসায়ী ৩১৫৬, তিরমিযী ১৭১২, আহমাদ ২২৫৮৫, সহীহ আল জামি‘ ১৪২৫।
