১২/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১৬-[১৮] - ঋণগ্রস্তের দায় ও কেয়ামতের অভিযোগ
দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ঋণগ্রস্তের দায় ও কেয়ামতের সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯১৬-[১৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯১৬-[১৮]
وَعَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «صَاحِبُ الدَّيْنِ مَأْسُورٌ بِدَيْنِهِ يَشْكُو إِلَى رَبِّهِ الْوَحْدَةَ يَوْمَ الْقِيَامَة». رَوَاهُ فِي شرح السّنة
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণের দায়ে আবদ্ধ থাকবে। কিয়ামত দিবসে তার রবের কাছে সে নিঃসঙ্গ অবস্থায় থাকার অভিযোগ করতে থাকবে।
[১] য‘ঈফ : শারহুস্ সুন্নাহ্ ২১৪৮, য‘ঈফ আল জামি‘ ৩৪৫৬, য‘ঈফ আত্ তারগীব ১১৩১। কারণ এর সনদে ফুযালাহ্ বিন মুবারক একজন মুদাল্লিস রাবী আর আবূ দাঊদে এর একটি য‘ঈফ শাহিদ বর্ণনা রয়েছে।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১৬-[১৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির অবস্থা নিয়ে কঠিন সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি তার ঋণের দায়ে আবদ্ধ থাকবে। কেয়ামত দিবসে সে তার রবের কাছে নিঃসঙ্গ অবস্থায় থাকার অভিযোগ করতে থাকবে। হাদিসটি ঋণের ভয়াবহতা বোঝায়। ঋণ নেওয়া কখনো কখনো প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু তা অবহেলার বিষয় নয়। ঋণগ্রহীতার উচিত পরিশোধের পথ খোঁজা, অক্ষম হলে পাওনাদারকে জানানো এবং সুযোগ পেলেই শোধ করা। একই সাথে পরিবারকেও ঋণের কথা জানিয়ে রাখা দরকার, যাতে মৃত্যুর পর পরিশোধের ব্যবস্থা করা যায়। এই হাদিস ঋণকে দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে দেখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণের দায়ে আবদ্ধ থাকে।
- ঋণ নিয়ে অবহেলা করা বিপদের কারণ হতে পারে।
- ঋণ থাকলে পরিশোধের চেষ্টা ও যোগাযোগ জরুরি।
- পরিবারকে ঋণের বিষয় জানিয়ে রাখা দায়িত্বশীল আচরণ।
