১৩/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৭৬-[১৭] - চার স্ত্রী রাখার সীমা
যে নারীদেরকে বিয়ে করা হারাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
চার স্ত্রী রাখার সীমা: গয়লান (রাঃ)-এর ঘটনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩১৭৬-[১৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩১৭৬-[১৭]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ غيلَان بن سَلمَة الثَّقَفِيَّ أَسْلَمَ وَلَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَأَسْلَمْنَ مَعَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمْسِكْ أَرْبَعًا وَفَارِقْ سَائِرَهُنَّ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
গয়লান ইবনু সালামাহ্ আস্ সাক্বাফী ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাঁর সাথে জাহিলিয়্যাত যুগে বিবাহিতা ১০ জন স্ত্রীও মুসলিম হলেন। নবী (ﷺ) তাঁকে বললেন, তুমি চারজন স্ত্রীকে রেখে বাকি সবাইকে ছেড়ে (পৃথক করে) দাও।
[১] সহীহ : তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজাহ ১৯৫৩, আহমাদ ৪৬০৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪১৫৭, ইরওয়া ১৮৮৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৭৬-[১৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে গয়লান ইবনু সালামাহ্ আস-সাক্বাফী (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন, আর জাহিলিয়্যাত যুগে তাঁর দশজন স্ত্রী ছিল। তাঁর স্ত্রীদেরও ইসলাম গ্রহণের কথা বর্ণনায় এসেছে। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে বলেন, চারজন স্ত্রী রাখো এবং বাকিদের পৃথক করে দাও। হাদিসটি বিবাহের সংখ্যাগত সীমা সম্পর্কে একটি সরাসরি নির্দেশ দেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইসলাম গ্রহণের পর পুরোনো সামাজিক বা পারিবারিক অবস্থাকে শরীয়তের নিয়মের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হয়। ব্যক্তিগত পছন্দ বা আগের রীতি থাকলেও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশই শেষ কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একজন পুরুষের জন্য চারজন স্ত্রী রাখার সীমা এখানে স্পষ্ট হয়েছে।
- দশ স্ত্রী থাকলে চারজন রেখে বাকিদের পৃথক করতে বলা হয়েছে।
- ইসলাম গ্রহণের পর আগের অবস্থা শরীয়তের নিয়মে সংশোধন করতে হয়।
- বিবাহের বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসরণ করা জরুরি।
