৩/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৮-[১৯] - কাত হয়ে ঘুমালে ওজু
যে কারণে ওজু করা ওয়াজিব হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
কাত হয়ে ঘুমালে কেন ওজু করতে বলা হয়েছে
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩১৮-[১৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩১৮-[১৯]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِنَّ الْوُضُوءَ لَا يَجِبُ اِلَّا عَلى مَنْ نَامَ مُضْطَجِعًا فَإِنَّه إِذَا اضْطَجَعَ اسْتَرْخَتْ مَفَاصِلُه. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ أَبُوْ دَاوٗدَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই ওজু সে ব্যক্তির জন্যে ওয়াজিব যে কাত হয়ে ঘুমায়। কারণ কাত হয়ে ঘুমালে শরীরের বন্ধনগুলো শিথিল হয়ে পড়ে। [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ২০২, তিরমিযী ৭৭, য‘ঈফুল জামি‘ ১৮০৮। কারণ এর সানদে ইয়াযীদ ইবনু খালিদ আদ্ দালানী নামে একজন দুর্বল রাবী রয়েছে এবং সে হাদীসের মাতানের ক্ষেত্রেও ভুল করে।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৮-[১৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ওজু ওয়াজিব হয় সেই ব্যক্তির জন্য, যে কাত হয়ে ঘুমায়। এরপর কারণও বলা হয়েছে—কাত হয়ে শুয়ে পড়লে শরীরের বন্ধনগুলো শিথিল হয়ে যায়। এই বর্ণনা ঘুমের অবস্থার পার্থক্য বুঝতে খুব সাহায্য করে। বসে হালকা ঘুম আর কাত হয়ে ঘুম এক নয়। কাত হয়ে ঘুমালে মানুষ নিজের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ও অনুভূতি কম বুঝতে পারে। তাই এখানে কাত হয়ে ঘুম এবং ওজুর সম্পর্ক সরাসরি এসেছে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, পবিত্রতার বিষয়ে ঘুমের ধরনকে গুরুত্ব দিতে হবে। সালাতের আগে ওজু ঠিক আছে কি না, তা এমন অবস্থার পর যাচাই করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাত হয়ে ঘুমালে ওজু করতে বলা হয়েছে।
- কাত হয়ে শুলে শরীরের বন্ধন শিথিল হয় বলে হাদিসে এসেছে।
- ঘুমের ধরন অনুযায়ী ওজুর বিষয় বুঝতে হয়।
- সালাতের আগে পবিত্রতা নিশ্চিত করা জরুরি।
