৩/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৯-[২০] - পুরুষাঙ্গ স্পর্শে ওজু
যে কারণে ওজু করা ওয়াজিব হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওজুর হুকুম
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩১৯-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩১৯-[২০]
وَعَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ بْنِ نَوْفِلٍ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَه فَلْيَتَوَضَّأْ. رَوَاهُ مَالِك وأَحْمَدُ وأَبُوْ دَاوٗدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِـيُِّ وَاِبْنُ مَاجَةَ وَالدَّارِمِيُّ
বুসরাহ্ বিনতু সফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি স্বীয় পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে তাহলে তাকে ওজু করতে হবে। [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ১৮১, তিরমিযী ৮২, নাসায়ী ৪৪৭, মালিক ৯১, আহমাদ ২৬৭৫১, সহীহুল জামি‘ ৬৫৫৪, ইবনু মাজাহ ৪৭৯, দারিমী ৭৫১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৯-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বুসরা বিনতে সাফওয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে, তাহলে সে যেন ওজু করে। হাদিসটি ব্যক্তিগত পবিত্রতার একটি নির্দিষ্ট বিষয় জানায়। এখানে স্পর্শের পর ওজু করার নির্দেশ সরাসরি এসেছে। তাই সালাতের আগে এমন কিছু ঘটলে ওজুর বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। এই বর্ণনায় অন্য কোনো শর্ত বা আলাদা ব্যাখ্যা নেই, তাই মূল কথাটি হলো—পুরুষাঙ্গ স্পর্শ ও ওজুর সম্পর্ক। পবিত্রতা, সালাতের প্রস্তুতি এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা—এই তিনটি বিষয় এতে যুক্ত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও দৈনন্দিন মাসআলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওজু করার নির্দেশ এসেছে।
- সালাতের আগে ব্যক্তিগত পবিত্রতা খেয়াল রাখতে হবে।
- শরীরের নির্দিষ্ট স্পর্শ ও ওজুর সম্পর্ক আছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও স্পষ্ট মাসআলা জানা যায়।
