৩/১. অধ্যায়ঃ
যে কারণে ওজু করা ওয়াজিব হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩২০-[২১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৩২০-[২১]
وَعَنْ طَلْقِ بْنِ عَلِىٍّ قَالَ سُئِلَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ عَنْ مَسِّ الرَّجُلِ ذَكَرَه بَعْدَ مَا يَتَوَضَّاُ قَالَ وَهَلْ هُوَ اِلَّا مُضْغَةٌ مِنْهُ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِـيُِّ وَرَوَى اِبْنُ مَاجَةَ نَحْوَه وَقَالَ الشَّيْخُ اِلامَامُ مُحْيِي السُّنَّةُ هذَا مَّنْسُوْخٌ لاَنَّ اَبَا هُرَيْرَةَ اَسْلَمَ بَعْدَ قُدُوْمِ طَلْقٍ
ত্বলক্ব ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, ওজু করার পর কেউ যদি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে তাহলে এর হুকুম কী? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সেটা তো মানুষের শরীরেরই একটা অংশবিশেষ। [১]ইমাম মুহ্য়িয়ূস সুন্নাহ্ (রহঃ) বলেছেন, এ হাদীসটি মানসূখ (রহিত)। কেননা আবূ হুরায়রা (রাঃ) ত্বল্ক্ব-এর মাদীনাহ্ আগমনের পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ১৮২, তিরমিযী ৮৫, নাসায়ী ১৬৫। ইবনু মাজাহও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
