১৩/৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২০১-[৪] - বারীরাহর বিবাহ অধিকার
গোলামদের স্বাধীনতা প্রদান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
বারীরাহর বিবাহ অধিকার ও সিদ্ধান্তের সীমা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩২০১-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২০১-[৪]
وَعَنْهَا: أَنْ بَرِيرَةَ عَتَقَتْ وَهِيَ عِنْدَ مُغِيثٍ فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ لَهَا: «إِنْ قَرِبَكِ فَلَا خِيَارَ لَكِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا الْبَابُ خَالٍ عَنِ الْفَصْلِ الثَّالِثِ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুগীস-এর স্ত্রী বারীরাহ্ মুক্তি লাভ করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে (বিবাহ সম্পর্ক রাখা বা বিচ্ছেদের) অধিকার দিয়ে বলেন যে, সে যদি তোমার সান্নিধ্য (সহবাস) লাভ করে থাকে, তবে তোমার কোনো অধিকার নেই।
[১] যঈফ : আবূ দাঊদ ২২৩৬, ইরওয়া ১৯০৮, যঈফ আল জামি‘ ১২৯৫। কারণ এর সনদে মুহাম্মাদ বিন ইসহক বিন ইয়াসার একজন মুদাল্লিস রাবী।- - বিঃ দ্রঃ (وَهٰذَا الْبَابُ خَالٍ عَنِ اَلْفَصْلُ الثَّالِثُ) আর এ অধ্যায়ে তৃতীয় অনুচ্ছেদ নেই।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২০১-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বারীরাহ্ মুক্তি লাভ করার পর তার বিবাহ সম্পর্ক নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান এসেছে। তিনি মুগীসের স্ত্রী ছিলেন। মুক্ত হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাকে বিবাহ সম্পর্ক রাখা বা বিচ্ছেদের অধিকার দেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দাসত্ব থেকে মুক্ত হওয়া নারীর জন্য তার বৈবাহিক অবস্থার বিষয়ে একটি স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তের সুযোগ ছিল। তবে হাদিসে একটি সীমাও বলা হয়েছে। যদি স্বামী তার সান্নিধ্য বা সহবাস লাভ করে থাকে, তাহলে আর সেই অধিকার থাকে না। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ইসলামে বিবাহ অধিকার, সম্মতি এবং সিদ্ধান্তের সময়সীমা গুরুত্ব পায়। এখানে বারীরাহর ঘটনা নারী অধিকার ও বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুক্তি লাভের পর নারীর বিবাহ সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্তের অধিকার থাকতে পারে।
- বিবাহের অধিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময় ও অবস্থার সীমা আছে।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ব্যক্তির অবস্থাভেদে ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
- দাম্পত্য বিষয়ে সম্মতি ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
