১৭/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬১৩-[৪] - রাবীর নাম নির্ভুল রাখার গুরুত্ব
দণ্ডবিধির ব্যাপারে সুপারিশ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
রাবীর নাম নির্ভুল রাখার গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৬১৩-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৬১৩-[৪]
وَفِي نُسَخِ الْمَصَابِيحِ عَنْ أَبِي رِمْثَةَ بِالرَّاءِ والثاء الْمُثَلَّثَة بدل الْهمزَة وَالْيَاء
কিন্তু মাসাবীহ-এর মূল গ্রন্থে বর্ণনাকারীর নাম আবূ রিমসাহ্ বলা হয়েছে, অর্থাৎ- ء (হামযাহ্) ও ي (ইয়া)-এর পরিবর্তে ر (রা) ও ث (সা) রয়েছে।
[১] য‘ঈফ : শারহুস্ সুন্নাহ্ ২৭২১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬১৩-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশটি মূলত একটি সনদ-সংক্রান্ত নোট। এখানে বলা হয়েছে, মাসাবীহ-এর কিছু কপিতে বর্ণনাকারীর নাম আবূ রিমসাহ্ বলা হয়েছে। অর্থাৎ আবূ উমাইয়্যাহ নামের হামযাহ ও ইয়া অক্ষরের বদলে রা ও সা এসেছে। বিষয়টি ছোট মনে হলেও হাদিস পাঠে রাবীর নাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি অক্ষরের পরিবর্তনে ব্যক্তির পরিচয় বদলে যেতে পারে। এই নোট থেকে বোঝা যায়, আলিমরা শুধু হাদিসের অর্থ নয়, বর্ণনাকারীর নাম, অক্ষর, কপি ও পাঠভেদও যত্নের সঙ্গে দেখেছেন। তাই হাদিসের সনদ, রাবীর নাম এবং পাঠের নির্ভুলতা—এসব বিষয় ইসলামি জ্ঞানচর্চায় বড় গুরুত্ব রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে রাবীর নাম সঠিকভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- একটি অক্ষরের ভিন্নতা বর্ণনাকারীর পরিচয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
- আলিমরা কপি ও পাঠভেদ যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করেছেন।
- হাদিস বুঝতে সনদ ও শব্দের নির্ভুলতা দরকার।
