১৮/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৪৬-[২] - আল্লাহর সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস
বিচারকদের (সহকর্মীদের) বেতন ও হাদিয়া গ্রহণ করা - প্রথম অনুচ্ছেদ
সরকারি সম্পদ অন্যায়ভাবে নেওয়ার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৪৬-[২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৪৬-[২]
وَعَن خَوْلةَ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ رِجَالًا يَتَخَوَّضُونَ فِي مَالِ اللَّهِ بِغَيْرِ حَقٍّ فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». رَوَاهُ البُخَارِيّ
খাওলাহ্ আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কিছু সংখ্যক মানুষ আল্লাহ তা'আলার (যাকাত, বায়তুল মাল বা গনীমাতের) সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে থাকে। কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত।
[১] সহীহ : বুখারী ৩১১৮, আহমাদ ২৭৩১৮, সহীহ আল জামি‘ ২০৭৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৪৬-[২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কিছু মানুষের কথা বলেছেন, যারা আল্লাহর সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে। ব্যাখ্যায় উল্লেখ আছে, এটি যাকাত, বায়তুল মাল বা গনীমতের সম্পদের মতো জনস্বার্থের সম্পদ হতে পারে। এসব সম্পদ ব্যক্তিগত লোভে নেওয়া সাধারণ ভুল নয়; এটি বড় খিয়ানাতের দরজা খুলে দেয়। হাদিসে বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত। তাই সরকারি সম্পদ, জনসম্পদ, যাকাতের সম্পদ বা মুসলিমদের যৌথ সম্পদ ব্যবহারে খুব সতর্ক থাকা দরকার। যে সম্পদ নিজের নয়, তা নিজের মতো খরচ করা বা লুকিয়ে নেওয়া ন্যায়ের পথ নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর সম্পদ বা জনসম্পদ অন্যায়ভাবে নেওয়া কঠিন পাপ।
- যাকাত, বায়তুল মাল ও গনীমতের সম্পদে আমানতদারি দরকার।
- লুকিয়ে বা অন্যায়ভাবে সম্পদ নেওয়ার পরিণতি ভয়াবহ।
- দায়িত্বশীলদের জন্য হিসাবের ভয় রাখা জরুরি।
