১৮/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৪৯-[৫] - রাষ্ট্রীয় কাজে বৈধ পারিশ্রমিক
বিচারকদের (সহকর্মীদের) বেতন ও হাদিয়া গ্রহণ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
দায়িত্বপূর্ণ কাজে বৈধ পারিশ্রমিক
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৪৯-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৪৯-[৫]
وَعَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: عَمِلْتُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فعملني. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে (রাষ্ট্রীয়) কাজে নিযুক্ত হয়েছিলাম। আর আমাকে তার পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছে।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৯৪৪, মুসলিম ১০৪৫, নাসায়ী ২৬০৪, আহমাদ ৩৭১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৪৯-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় উমার (রাঃ) জানান, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর যুগে রাষ্ট্রীয় কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তাকে তার পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল। এর মূল শিক্ষা হলো, দায়িত্বপূর্ণ কাজের জন্য বৈধ পারিশ্রমিক গ্রহণ করা আলাদা বিষয়, আর দায়িত্বের সুযোগে অতিরিক্ত কিছু নেওয়া আলাদা বিষয়। এই হাদিস আগের ও পরের বর্ণনাগুলোর সাথে মিলিয়ে বুঝলে পরিষ্কার হয় যে, কাজের মজুরি বা ভাতা স্বচ্ছভাবে নির্ধারিত হলে তা গ্রহণ করা যায়। কিন্তু গোপন সুবিধা, অনুমতি ছাড়া সম্পদ নেওয়া বা মানুষের হক খাওয়া খিয়ানাতের মধ্যে পড়ে। তাই ইসলামে বৈধ মজুরি ও অবৈধ লাভের পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দায়িত্বপূর্ণ কাজের জন্য বৈধ পারিশ্রমিক গ্রহণ করা যেতে পারে।
- বৈধ মজুরি ও গোপন অতিরিক্ত সুবিধা এক জিনিস নয়।
- কর্মীর প্রাপ্য স্বচ্ছভাবে নির্ধারিত হওয়া দরকার।
- রাষ্ট্রীয় কাজে আমানত ও নিয়ম মানা জরুরি।
