১৮/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৫-[২৮] - অভিযোগে আটক ও পরে মুক্তি
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
অভিযোগে আটক: বিচারকার্যে সতর্ক পদক্ষেপ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৮৫-[২৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৮৫-[২৮]
وَعَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَبَسَ رَجُلًا فِي تُهْمَةٍ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وزادَ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ: ثمَّ خَلّى عَنهُ
মু'আবিয়া ইবনু হায়দাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি (নবী (ﷺ)) অপবাদের অভিযোগের দণ্ড স্বরূপ এক ব্যক্তিকে বন্দী করেছেন। আর তিরমিযী ও নাসায়ী অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, পরে তাকে ছেড়ে দেন।
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ৩৬৩০, নাসায়ী ৪৮৭৬, তিরমিযী ১৪১৭, ইরওয়া ২৩৯৭।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৫-[২৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم অপবাদের অভিযোগের কারণে এক ব্যক্তিকে বন্দী করেছিলেন। তিরমিযী ও নাসায়ী অতিরিক্তভাবে বর্ণনা করেছেন যে পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও বিচারকার্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়: অভিযোগ উঠলে তা একেবারে উপেক্ষা করা হয়নি, আবার কাউকে স্থায়ীভাবে দোষী বানিয়েও রাখা হয়নি। আটক করা হয়েছিল অভিযোগের ভিত্তিতে, আর পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই এই হাদিস থেকে সরাসরি যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলো—বিচারকার্যে অভিযোগ, তদন্ত, সতর্কতা এবং মুক্তির বিষয় আলাদা আলাদা। কোনো অভিযোগ উঠলেই চূড়ান্ত রায় হয়ে যায় না। ন্যায়বিচারে একদিকে মানুষের অধিকার, অন্যদিকে অভিযোগের গুরুত্ব—দুটিই বিবেচনায় রাখতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অভিযোগ উঠলে বিচারকার্যে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
- অভিযোগ মানেই চূড়ান্ত দোষী সাব্যস্ত হওয়া নয়।
- পরে ছেড়ে দেওয়ার বর্ণনা ন্যায় ও সতর্কতার দিকটি দেখায়।
- বিচারে তাড়াহুড়া না করে যাচাইয়ের গুরুত্ব আছে।
