১৮/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৬-[২৯] - বিচারকের সামনে উভয় পক্ষ
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
বিচারকের সামনে উভয় পক্ষ: ন্যায়বিচারের নিয়ম
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৮৬-[২৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৮৬-[২৯]
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ الْخَصْمَيْنِ يَقْعُدَانِ بَيْنَ يَدَيِ الْحَاكِمِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ
'আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নির্দেশ করেছেন: উভয়পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) বিচারকের সামনেই সমুপস্থিত থাকবে।
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৫৮৮, আহমাদ ১৬১০৪। কারণ এর সনদে মুস্‘আব বিন সাবিত স্মৃতিশক্তিগত ত্রুটিজনিত কারণে একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৬-[২৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم নির্দেশ করেছেন যে উভয় পক্ষ, অর্থাৎ বাদী ও বিবাদী, বিচারকের সামনে উপস্থিত থাকবে। বিচারকার্যে এটি খুব সহজ কিন্তু গভীর শিক্ষা। এক পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত দিলে অন্য পক্ষের বক্তব্য হারিয়ে যেতে পারে। তাই বিচারকের সামনে দুই পক্ষের উপস্থিতি ন্যায়বিচারের একটি বড় ভিত্তি। এতে কথা পরিষ্কার হয়, অভিযোগ ও জবাব একসঙ্গে শোনা যায়, এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। হাদিসটি আমাদের শেখায় যে বিচার শুধু রায় দেওয়ার নাম নয়; বরং রায়ের আগে সঠিকভাবে শোনা, বোঝা ও সুযোগ দেওয়া জরুরি। পরিবার, সমাজ বা আদালত—যেখানেই বিচারধর্মী সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, দুই পক্ষের কথা শোনা ন্যায়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারে বাদী ও বিবাদী—দুই পক্ষের কথা শোনা দরকার।
- এক পক্ষের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
- বিচারকের সামনে উভয় পক্ষের উপস্থিতি ন্যায়কে শক্তিশালী করে।
- ন্যায়বিচারে ধৈর্য ও ভারসাম্য জরুরি।
