১৮/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৩-[২৬] - শহরবাসীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য সাক্ষ্য
বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
শহরবাসীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য সাক্ষ্য: হাদিসের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৮৩-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৮৩-[২৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا تَجُوزُ شَهَادَةُ بَدَوِيٍّ عَلَى صَاحِبِ قَرْيَةٍ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَه
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: শহরের অধিবাসীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৬০২, ইবনু মাজাহ ২৩৬৭, ইরওয়া ২৭৬৪, সহীহ আল জামি‘ ৭২৩৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৮৩-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, শহরের অধিবাসীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করাই নিরাপদ। সরাসরি বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, বিচারকার্যে সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সাক্ষ্যদাতার অবস্থা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এখানে মূল বিষয় হলো সাক্ষ্য যেন যথাযথ, নির্ভরযোগ্য এবং বিচারকের সামনে গ্রহণযোগ্য হয়। কোনো ব্যক্তি কোথায় থাকে, কীভাবে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, এবং তার সাক্ষ্য কতটা সরাসরি—এসব বিষয় বিচারকার্যে প্রভাব ফেলতে পারে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সাক্ষ্য খুব বড় আমানত। শুধু কিছু শুনে বা দূর থেকে ধারণা করে সাক্ষ্য দেওয়া ঠিক নয়। বিচারকার্যে সত্য ও সাবধানতা দুটোই দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাক্ষ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা জরুরি।
- বিচারকার্যে অনুমান বা দুর্বল তথ্যের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
- সাক্ষ্য একটি আমানত, তাই সতর্কতা প্রয়োজন।
- বিচারকের কাছে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হতে হলে বাস্তব সম্পর্ক ও জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ।
