১৯/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯২২-[৩১] - সফরে বিশ্রামের নববী আদব
সফরের নিয়ম-শৃঙ্খলা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
সফরে বিশ্রামের নববী আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৯২২-[৩১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৯২২-[৩১]
عَن أبي قتادةَ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ فِي سَفَرٍ فَعَرَّسَ بِلَيْلٍ اضْطَجَعَ عَلَى يَمِينِهِ وَإِذَا عَرَّسَ قُبَيْلَ الصُّبْحِ نَصَبَ ذِرَاعَهُ وَوَضَعَ رَأْسَهُ عَلَى كَفِّهِ. رَوَاهُ مُسلم
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিয়ম ছিল সফরের সময় যখন রাতের শেষাংশে বিশ্রাম করতেন তখন ডান কাতে শুইতেন। আর যখন ফজরের পূর্ব মুহূর্তে বিশ্রাম করতেন, তখন ডান হাতের বাহু জমিনে খাড়া করে রেখে তালুতে মাথা রাখতেন।
[১] সহীহ : মুসলিম ৬৮৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯২২-[৩১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সফরের সময় বিশ্রামের একটি বাস্তব নিয়ম এসেছে। তিনি রাতের শেষাংশে বিশ্রাম করলে ডান কাতে শুইতেন। আর ফজরের একেবারে আগে বিশ্রাম করলে ডান হাতের বাহু জমিনে খাড়া করে তালুর ওপর মাথা রাখতেন। হাদিসটি সফরে ঘুম, ফজরের আগে বিশ্রাম এবং সতর্ক থাকার আদব শেখায়। এতে বোঝা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم সফরের কষ্টের মধ্যেও সময়ের দিকে খেয়াল রাখতেন। ফজরের আগে এমনভাবে বিশ্রাম করা হয়তো দীর্ঘ ঘুমে ডুবে যাওয়ার বদলে সতর্ক থাকার একটি সুন্দর ভঙ্গি ছিল—এ কথা হাদিসের বর্ণনা থেকেই বুঝা যায়। তাই সফরের বিশ্রামেও সচেতনতা, শৃঙ্খলা ও সুন্নাহর অনুসরণ গুরুত্বপূর্ণ। তাই সফরের ঘুমেও সময়, সতর্কতা এবং শরীরের অবস্থার প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর খেয়াল এই বর্ণনায় পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে বিশ্রামের সময় নবী صلى الله عليه وسلم-এর ডান কাতে শোয়ার আমল বর্ণিত হয়েছে।
- ফজরের আগে বিশ্রামের ধরন ছিল সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত।
- সফরের কষ্টের মধ্যেও সালাতের সময়ের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার।
