২২/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৪৬০-[৪২] - নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর চুলের দৈর্ঘ্য
চুল আঁচড়ানো - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর চুলের দৈর্ঘ্য: জুম্মা ও ওয়াফরার মাঝামাঝি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৪৬০-[৪২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৪৬০-[৪২]
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ وَكَانَ لَهُ شَعْرٌ فَوْقَ الْجُمَّةِ وَدُونَ الوفرة. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একই পাত্র হতে গোসল করতাম। তখন রাসূল (ﷺ)-এর মাথার চুল জুম্মার উপরে এবং ওয়াফরার নিচে ছিল।
[১] হাসান সহীহ : তিরমিযী ১৭৫৫, ইবনু মাজাহ ৬০৪, ৩৬৩৫; শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩১৮৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৪৬০-[৪২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি ও রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একই পাত্র থেকে গোসল করতেন। একই বর্ণনায় নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর মাথার চুলের দৈর্ঘ্যের কথাও এসেছে—তা জুম্মার উপরে এবং ওয়াফরার নিচে ছিল। অর্থাৎ চুলের দৈর্ঘ্য এমন ছিল যা খুব ছোটও নয়, আবার খুব দীর্ঘও নয়। হাদিসটি নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর ব্যক্তিগত জীবনের একটি ঘরোয়া বর্ণনা। এতে চুলের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, তবে এটিকে বাড়াবাড়ি করে একমাত্র রূপ বানানো ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, চুল রাখা হলে তা পরিচ্ছন্ন, শালীন ও যত্নে রাখা। নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর জীবনযাপনের ছোট ছোট দিক জানলে তাঁর প্রতি ভালোবাসা বাড়ে এবং নিজের জীবনেও পরিপাটির শিক্ষা আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর চুলের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে সাহাবি বর্ণনা করেছেন।
- চুল রাখা হলে তা পরিষ্কার ও শালীনভাবে রাখা উচিত।
- ব্যক্তিগত জীবনের ছোট আমলও সাহাবিরা সংরক্ষণ করেছেন।
- চুলের ধরনে বাড়াবাড়ি নয়, পরিচ্ছন্নতা ও আদব গুরুত্বপূর্ণ।
