২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৬৩-[৫০] - সূরা ফালাক ও নাসের আশ্রয়
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা ফালাক ও নাস দিয়ে বদনযর থেকে আশ্রয়
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৬৩-[৫০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৬৩-[৫০]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَعَوَّذُ مِنَ الْجَانِّ وَعَيْنِ الْإِنْسَانِ حَتَّى نَزَلَتِ الْمُعَوِّذَتَانِ فَلَمَّا نزلت أَخذ بهما وَترك سِوَاهُمَا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيث حسن غَرِيب
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিন এবং মানুষের চক্ষু (বদনজর) হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতেন, মু'আব্বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরা আন্ নাস) নাযিল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। আর যখন সূরা দু'টি নাযিল হলো, তখন তিনি ও দু'টি দ্বারা পানাহ চাইতে লাগলেন এবং অন্য কিছু দ্বারা পানাহ চাওয়া পরিত্যাগ করলেন।
[১] সহীহ : তিরমিযী ২০৫৮, ইবনু মাজাহ ৩৫১১, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭৮৫৩, আল জামি‘উস্ সগীর ৯০৩৩, সহীহুল জামি‘ ৪৯০২, নাসায়ী ৫৪৯৪। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ; আর তিরমিযী (রহঃ) বলেছেন : এ হাদীসটি হাসান ও গরীব)
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৬৩-[৫০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) জানান, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আগে জিন এবং মানুষের চোখ বা বদনযর থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। এরপর যখন মু‘আব্বিযাতায়ন, অর্থাৎ সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস নাযিল হলো, তখন তিনি এই দু’টি সূরা দিয়ে আশ্রয় চাইতে লাগলেন এবং অন্য কিছু দ্বারা আশ্রয় চাওয়া ছেড়ে দিলেন। এখানে মূল বিষয় হলো, বদনযর ও জিনের ক্ষতি থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। সূরা ফালাক ও নাসের মাধ্যমে রুকইয়াহ ও আশ্রয়ের গুরুত্ব এই বর্ণনায় স্পষ্ট। তবে হাদিসে যতটুকু এসেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জিন ও মানুষের বদনযর থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া দরকার।
- সূরা ফালাক ও সূরা নাস আশ্রয় প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে এসেছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নাযিল হওয়ার পর এই দু’টি সূরা গ্রহণ করেছেন।
- বিপদ ও অদৃশ্য ক্ষতির আশঙ্কায় আল্লাহর ওপর নির্ভর করা উচিত।
