২৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৪৭-[২০] - নারীদের সালাম দেওয়ার বর্ণনা
সালাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
নারীদের সালাম দেওয়ার হাদিস: নবী صلى الله عليه وسلم-এর আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৪৭-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৪৭-[২০]
وَعَن جَرِيرٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى نِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِنَّ. رَوَاهُ أَحْمَدُ
জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন নবী (ﷺ) একদল মহিলার নিকট দিয়ে গেলেন এবং তাদেরকে সালাম দিলেন।
[১] হাসান : আহমাদ ১৯১৫৪, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ২১৩৯, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৫৭৮৯, আবূ ইয়া‘লা ৭৫০৬, দারিমী ২৬৩৭, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ২৪২৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৪৭-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم একদিন একদল মহিলার পাশ দিয়ে গেলেন এবং তাদের সালাম দিলেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি কথা যোগ না করাই ভালো। সরাসরি যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলো, সালাম মুসলিম সমাজের সাধারণ আদব। এটি শুধু নির্দিষ্ট জায়গা বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য নয়; বরং সাক্ষাৎ ও পারস্পরিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে শান্তির দোয়া। নবী صلى الله عليه وسلم-এর এই আচরণ থেকে বোঝা যায়, সালাম দেওয়া নম্রতা ও ভদ্রতার কাজ। এতে কথার শুরু হয় দোয়া দিয়ে, অহংকার দিয়ে নয়। হাদিসে কোনো অতিরিক্ত নিয়ম বা দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই; শুধু একটি ঘটনা আছে—তিনি মহিলাদের নিকট দিয়ে গেলেন এবং সালাম দিলেন। তাই এই বর্ণনার আলোকে মূল কথাটি হলো, সালাম মুসলিম আচরণের সুন্দর ও সহজ প্রকাশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাম দেওয়া নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্দর আদবের অংশ।
- সাক্ষাতে শান্তির দোয়া করা মুসলিম আচরণের পরিচয়।
- ছোট একটি সালামও ভদ্রতা ও নম্রতার প্রকাশ হতে পারে।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত ঘটনার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
