২৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৪৬-[১৯] - আগে সালাম দেওয়ার মর্যাদা
সালাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
আগে সালাম দেওয়া: আল্লাহর নিকট অগ্রগণ্য হওয়ার আমল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৪৬-[১৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৪৬-[১৯]
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِاللَّهِ مَنْ بَدَأَ السَّلَام». رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ তাআলার নিকট অগ্রগণ্য সে ব্যক্তি, যে প্রথমে সালাম দেয়।
[১] সহীহ : তিরমিযী ২৬৯৪, আবূ দাঊদ ৫১৯৭, আল জামি‘উস্ সগীর ৩৭৭৪, সহীহুল জামি‘ ২০১১, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২৭০৩, শু‘আবুল ঈমান ৮৭৮৭, শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩৩০৪, শু‘আবুল ঈমান ৮৭৮৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৪৬-[১৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাম শুরু করার বিশেষ মর্যাদা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আল্লাহ তা'আলার নিকট অগ্রগণ্য সে ব্যক্তি, যে প্রথমে সালাম দেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মুসলিমের সাক্ষাতে অহংকার বা অপেক্ষা নয়; বরং নিজেই আগে সালাম দেওয়া ভালো। আগে সালাম দেওয়া মানে শান্তির কথা আগে বলা, সম্পর্কের দরজা আগে খোলা এবং ভ্রাতৃত্বের আচরণ আগে দেখানো। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের জন্য অনেক দরকারি। অনেক সময় মানুষ ভাবে, অন্যজন আগে বলুক। অথচ এই বর্ণনা সালাম শুরু করার উৎসাহ দেয়। তাই পরিচিত মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলে আগে সালাম দেওয়া ভালো আদব। এটি নম্রতা, ভালোবাসা ও ইসলামী পরিচয়ের সুন্দর প্রকাশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাক্ষাতে আগে সালাম দেওয়া একটি মর্যাদাপূর্ণ আমল।
- সালাম শুরু করা নম্রতা ও ভালো আচরণের প্রকাশ।
- অন্যের অপেক্ষা না করে নিজে আগে শান্তির দোয়া করা ভালো।
- মুসলিম সম্পর্ক সালামের মাধ্যমে সুন্দরভাবে শুরু হতে পারে।
