২৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৫৩-[২৬] - কথার আগে সালাম দেওয়ার শিক্ষা
সালাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
কথাবার্তার আগে সালাম: আদব ও বর্ণনার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৫৩-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৫৩-[২৬]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «السَّلَامُ قَبْلَ الْكَلَامِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيث مُنكر
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কথাবার্তা বলার পূর্বেই সালাম দিতে হবে।
[১] হাসান : তিরমিযী ২৬৯৯, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৮১৬, আবূ ইয়া‘লা ২০৫৯। (তিরমিযী; আর ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার।)
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৫৩-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, কথাবার্তা বলার পূর্বেই সালাম দিতে হবে। অর্থাৎ কোনো আলাপ শুরু করার আগে সালাম দিয়ে শুরু করা একটি সুন্দর আদব হিসেবে বোঝা যায়। সালাম কথার শুরুতে শান্তি ও দোয়ার পরিবেশ তৈরি করে। তবে এই বর্ণনার শেষে ইমাম তিরমিযী বলেছেন, এ হাদিসটি মুনকার। তাই ব্যাখ্যা করার সময় সাবধান থাকা জরুরি। আমরা এই বর্ণনা থেকে সাধারণ আদবের দিকটি বুঝতে পারি, কিন্তু এর ওপর অতিরিক্ত শক্ত দাবি করা উচিত নয়। এই ব্যাচের অন্যান্য হাদিসেও আগে সালাম দেওয়া, সাক্ষাতে সালাম করা এবং মাজলিসে প্রবেশ-প্রস্থানে সালাম করার কথা এসেছে। তাই মূল শিক্ষা হলো, কথা শুরু করার আগে সালাম দেওয়ার অভ্যাস সুন্দর এবং মুসলিম আচরণের সঙ্গে মানানসই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আলাপের আগে সালাম দেওয়া সুন্দর আদব।
- সালাম কথার শুরুতে শান্তি ও দোয়ার ভাব আনে।
- বর্ণনাটি মুনকার বলা হয়েছে, তাই অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
- মুসলিম কথাবার্তায় ভদ্রতা ও দোয়ার ভাষা থাকা উচিত।
