২৫/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৬১-[৫০] - হাদিসের সূত্র ও বর্ণনাকারী
জিহ্বার হেফাজত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
হাদিসের সূত্র জানা কেন গুরুত্বপূর্ণ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৮৬১-[৫০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৮৬১-[৫০]
وَالْبَيْهَقِيّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقاص
আর ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) “শু‘আবুল ঈমান” গ্রন্থে সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্বক্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আর ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) “শু‘আবুল ঈমান” গ্রন্থে সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্বক্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৬১-[৫০]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশে কোনো পূর্ণ হুকুম বা বড় শিক্ষা সরাসরি বলা হয়নি; বরং বর্ণনার সূত্রের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এখানে ইমাম বায়হাকী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর “শু‘আবুল ঈমান” গ্রন্থে সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন—এ কথা জানানো হয়েছে। তাই এই হাদিসাংশের কোর টপিক হলো হাদিসের সূত্র ও বর্ণনাকারী। হাদিস পড়ার সময় শুধু কথার অর্থ নয়, কে বর্ণনা করেছেন এবং কোন গ্রন্থে এসেছে—এ বিষয়ও জানা দরকার। এতে পাঠক বুঝতে পারে যে কথা কোনো সাধারণ উক্তি নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা ধারার অংশ। সহজভাবে বললে, এই অংশ আমাদেরকে হাদিসের রেফারেন্স সচেতন হতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস পড়ার সময় বর্ণনার উৎস খেয়াল করা দরকার।
- সাহাবি ও ইমামদের নাম জ্ঞানকে নির্ভরযোগ্যভাবে সাজাতে সাহায্য করে।
- পূর্ণ বক্তব্য না থাকলে অতিরিক্ত অর্থ চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
