২৫/১৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৬-[২৯] - উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার মিশন
নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার নববী শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫০৯৬-[২৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫০৯৬-[২৯]
وَعَن مَالك بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ حُسْنَ الْأَخْلَاقِ» رَوَاهُ الْمُوَطَّأ
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি এ হাদীস সম্বন্ধে জানতে পেরেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতা দান করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি।
[১] হাসান : মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৩৫৭, সহীহুল জামি‘ ২৮৩৩। সহীহ আর আদাবুল মুফরাদ ২০৭, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৪৪, আহমাদ ৮৯৫২, শু‘আবুল ঈমান ৭৯৭৭, আল মুসতাদরাক ৪২২১, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২১৩০১।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৬-[২৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন যে, তিনি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য আদিষ্ট হয়েছেন। বাক্যটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। ইসলাম শুধু কিছু বাহ্যিক আমলের নাম নয়; মানুষের ভেতরের স্বভাব, মুখের কথা, আচরণ, দয়া, নম্রতা, লজ্জাশীলতা, ধৈর্য এবং মানুষের হক—এসবও এর সঙ্গে জড়িত। এই হাদিসে নবীজির দাওয়াতের একটি বড় দিক দেখা যায়: মানুষের চরিত্রকে সুন্দর করা। তবে এখানে নির্দিষ্ট কোনো আলাদা বিধান বা ঘটনা নেই, তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত গল্প যোগ না করে মূল কথাতেই থাকা ভালো। একজন মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, নিজের নামাজ-রোজার সাথে আচরণও ঠিক করা। কারণ উত্তম চরিত্র নববী শিক্ষার কেন্দ্রীয় অংশ। এই কারণে চরিত্রের সংশোধনকে দৈনন্দিন আমলের অংশ বানানো উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নববী শিক্ষার বড় অংশ হলো চরিত্র সুন্দর করা।
- ইবাদতের সাথে মানুষের আচরণও গুরুত্ব পায়।
- দয়া, নম্রতা ও ভদ্রতা ইসলামী চরিত্রের অংশ।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলেও এর মূল শিক্ষা বিস্তৃত ও গুরুত্বপূর্ণ।
