২৫/১৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৭-[৩০] - আবূ হুরায়রাহ রাঃ-এর সূত্র
নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
উত্তম চরিত্র হাদিসের আবূ হুরায়রাহ রাঃ সূত্র
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫০৯৭-[৩০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫০৯৭-[৩০]
وَرَوَاهُ أَحْمد عَن أبي هُرَيْرَة
ইমাম আহমাদ (রহঃ) এ হাদীসটিকে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
[১] মাওযূ‘/জাল : শু‘আবুল ঈমান ৪৪৫৯। হাদীসটি জাল হওয়ার কারণ, এর সনদে ‘‘আমর ইবনু হুসায়ন ও ইয়াহইয়া ইবনু আল ‘আলা’’ উভয়েই মিথ্যুক। ইরওয়া ১/১১৪ হাঃ ৭৪ মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ২৬১১, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১০৬১৪।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৭-[৩০]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশে আলাদা কোনো নতুন বক্তব্য নেই; বরং বলা হয়েছে, ইমাম আহমাদ এই হাদিসটি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাই এটি উত্তম চরিত্র পূর্ণতার আগের বর্ণনার একটি সূত্রগত তথ্য হিসেবে ধরা যায়। হাদিসের জ্ঞান নিতে গেলে কখনো কখনো এমন সংক্ষিপ্ত নোট সামনে আসে, যেখানে মূল বক্তব্যের বদলে বর্ণনাকারী বা গ্রন্থের কথা বলা হয়। এই ধরনের অংশ থেকে নতুন শিক্ষা বানানো ঠিক নয়। তবে এতটুকু বোঝা যায় যে, উত্তম চরিত্রের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিভিন্ন সূত্রে তা বর্ণিত হয়েছে। পাঠকের জন্য এখানে প্রধান শিক্ষা হলো—রেফারেন্সকে সম্মান করা, মূল বর্ণনার সাথে সূত্রকে মিলিয়ে দেখা এবং চরিত্রের শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে গ্রহণ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি মূলত বর্ণনাসূত্রের তথ্য, নতুন আলাদা বক্তব্য নয়।
- হাদিস বোঝার সময় সূত্র ও মূল বক্তব্য আলাদা করে দেখা দরকার।
- উত্তম চরিত্রের শিক্ষা বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
- রেফারেন্সের ভিত্তিতে কথা বলা জ্ঞানচর্চার নিরাপদ পদ্ধতি।
