৪/১. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮৬-[৬] - গ্রীষ্ম-শীতে যুহরের সময়

(সালাতের) সময়সমূহ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

গরম ও শীতে যুহরের সালাতের সময়ের পার্থক্য

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৮৬-[৬]

وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كَانَ قَدْرُ صَلَاةِ رَسُولِ اللهِ ﷺ الظُّهْرَ فِي الصَّيْفِ ثَلَاثَةَ أَقْدَامٍ إِلى خَمْسَةِ أَقْدَامٍ وَفِي الشِّتَاءِ خَمْسَةَ أَقْدَامٍ إِلى سَبْعَةِ أَقْدَامٍ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاؤُدَ وَالنَّسَائِـيُِّ

ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

গরমকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুহরের সালাতের (ছায়ার পরিমাণ) ছিল তিন হতে পাঁচ কদম, আর শীতকালে পাঁচ হতে সাত কদম। [১]

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৪০০, নাসায়ী ৫০৩।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮৬-[৬]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে যুহরের সালাতের সময় সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ইবনু মাসঊদ রা. বলেন, গরমকালে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর যুহরের সালাতের ছায়ার পরিমাণ ছিল তিন থেকে পাঁচ কদম। আর শীতকালে ছিল পাঁচ থেকে সাত কদম। এখানে সালাতের ওয়াক্তের ব্যবহারিক দিক বোঝা যায়। একই যুহর সালাত হলেও ঋতু, তাপ ও ছায়ার অবস্থায় সময়ের প্রকাশ ভিন্ন হতে পারে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সালাতের সময় শুধু ঘড়ির সংখ্যা দিয়ে নয়, সূর্য ও ছায়ার অবস্থার সাথেও সম্পর্কিত। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুতেই সীমিত রাখা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যুহরের সময় সূর্য ও ছায়ার অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
  • গরম ও শীতকালে ছায়ার পরিমাণে পার্থক্য দেখা যায়।
  • রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল থেকে সালাতের সময় বোঝার বাস্তব শিক্ষা পাওয়া যায়।
  • সালাতের ওয়াক্ত বুঝতে ঋতুর পরিবর্তনও লক্ষ্যযোগ্য।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন