৩০/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৬৫-[৭০] - বদরী সাহাবীদের বিশেষ মর্যাদা
সমষ্টিগতভাবে মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
বদরী সাহাবীদের মর্যাদা ও সম্মান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬২৬৫-[৭০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬২৬৫-[৭০]
وَعَن قيس بن حَازِم قَالَ: كَانَ عَطَاءُ الْبَدْرِيِّينَ خَمْسَةُ آلَافٍ. وَقَالَ عُمَرُ: لَأُفَضِّلَنَّهُمْ على مَنْ بَعدَهم. رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (4022) * تسمیۃ من سمی من اھل البدر ، فی صحیح البخاری (کتاب المغازی باب : 13 بعد ح 4027) ۔ بخاری ، کتاب المغازی ، باب تسمیۃ من سمی من اھل بدر ۔ (صَحِيح)
ক্বায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের ভাতা পাঁচ হাজার দিরহাম (বায়তুল মাল হতে) নির্ধারণ ছিল। উমর (রাঃ) বলেন, আমি অবশ্যই তাঁদেরকে পরবর্তী সকলের ওপর মর্যাদা দেব।
সহীহ: বুখারী ৪০২২।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৬৫-[৭০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের বিশেষ মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। কায়স ইবনু হাযিম বলেন, বদরীদের ভাতা পাঁচ হাজার দিরহাম নির্ধারিত ছিল। উমর রাঃ বলেন, তিনি অবশ্যই তাঁদেরকে পরবর্তী লোকদের ওপর মর্যাদা দেবেন। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও এতে একটি বড় শিক্ষা আছে। যারা ইসলামের শুরুতে কঠিন সময়ে দ্বীনের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের অবদান আলাদা করে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এখানে ভাতা শুধু অর্থের বিষয় নয়; বরং বদরী সাহাবীদের সম্মান, আগে এগিয়ে আসা এবং কষ্টের সময় সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের শুরুতে ত্যাগকারীদের অবদান স্মরণীয়।
- বদরী সাহাবীদের মর্যাদা বিশেষভাবে স্বীকৃত হয়েছে।
- নেতৃত্বের কাজে যোগ্যতা ও অবদান বিবেচনা করা উচিত।
- ভালো কাজের স্বীকৃতি সমাজে কৃতজ্ঞতা তৈরি করে।
