৪/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৪২-[২১] - ফজরের সুন্নতে কাফিরুন ও ইখলাস
সালাতে কিরাআতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
ফজরের সুন্নতে সূরা কাফিরুন ও ইখলাস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৮৪২-[২১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৮৪২-[২১]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَرَأَ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ ﴿قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُوْنَ﴾ وَ ﴿قُلْ هُوَ اللّهُ أَحَدٌ﴾. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সালাতে “কুল ইয়া –আয়্যুহাল কা-ফিরুন” ও “ কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ” তিলাওয়াত করেছেন। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৭২৬, আবূ দাঊদ ১২৫৬, নাসায়ী ৯৪৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৪২-[২১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ফজরের দুই রাকআত সালাতে সূরা আল কাফিরুন এবং সূরা আল ইখলাস তিলাওয়াত করেছেন। এখানে ফজরের দুই রাকআত বলতে ফজরের আগের সুন্নত সালাত বোঝানো হয়েছে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, ফজরের সুন্নতে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ সূরা পাঠ করা নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর আমলের মধ্যে ছিল। সূরা কাফিরুনে শিরক থেকে আলাদা থাকার ঘোষণা আছে, আর সূরা ইখলাসে আল্লাহর একত্বের বর্ণনা আছে। তাই ফজরের সুন্নত, সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস—এই তিনটি বিষয় একসাথে এই হাদিসে পরিষ্কারভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি صلى الله عليه وسلم ফজরের দুই রাকআতে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পাঠ করেছেন।
- সুন্নত সালাতে ছোট সূরা পড়াও নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর আমল দ্বারা প্রমাণিত।
- সালাতে কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে নবীজির পদ্ধতি জানা জরুরি।
- ফজরের সুন্নতকে যত্নের সঙ্গে আদায় করার শিক্ষা এতে পাওয়া যায়।
