৪/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৬৩-[৪২] - ফজরে সূরা বাকারা
সালাতে কিরাআতের বর্ণনা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ফজরের সালাতে দীর্ঘ কিরাআতের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৮৬৩-[৪২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৮৬৩-[৪২]
وَعَنْ عُرْوَةَ قَالَ إِنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ صَلَّى الصُّبْحَ فَقَرَأَ فِيهمَا بِسُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي الرَّكْعَتَيْنِ كِلْتَيْهِمَا. رَوَاهُ مَالِكٌ
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবুবকর (রাঃ) ফজরের সালাত আদায় করলেন। উভয় রাকাতেই সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করলেন।[১]
[১] য‘ঈফ : মুয়াত্ত্বা মালিক ১৮২। কারণ ‘উরওয়াহ্ আবূ বকর (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ পাননি বিধায় মুনকাতির যা হাদীস দুর্বল হওয়ার অন্যতম একটি কারণ।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৬৩-[৪২]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ফজরের সালাতের কিরাআত উল্লেখ হয়েছে। তিনি ফজরের দুই রাকাতে সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করেছেন। হাদিসে কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই; তাই এখান থেকে শুধু এতটুকুই বোঝা যায় যে ফজরের সালাতে দীর্ঘ কিরাআতের একটি আমল সাহাবীদের মধ্যে পাওয়া যায়। ফজরের নামাজে কিরাআত, সূরা বাকারা তিলাওয়াত এবং ইমামের ধীর-স্থিরভাবে পড়া—এসব বিষয় পাঠকের মনে সালাতের গভীরতা বাড়ায়। তবে এ বর্ণনা থেকে প্রত্যেক অবস্থায় দীর্ঘ পড়া বাধ্যতামূলক—এমন কথা বলা ঠিক নয়। বরং এটি সালাতে কুরআনের সঙ্গে গভীর সম্পর্কের একটি সুন্দর উদাহরণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের সালাতে কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব এই বর্ণনায় বোঝা যায়।
- সাহাবীদের সালাতে দীর্ঘ কিরাআতের উদাহরণ পাওয়া যায়।
- ইমামের কিরাআত মুসল্লিদের কুরআনের সঙ্গে যুক্ত রাখে।
- একটি বর্ণনা থেকে প্রয়োজনের বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
