৫/৩১. অধ্যায়ঃ

পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাতের সময়

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১২৭৯

وَحَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرْعَرَةَ السَّامِيُّ، حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ عَنْ مَوَاقِيتِ الصَّلاَةِ فَقَالَ ‏"‏ اشْهَدْ مَعَنَا الصَّلاَةَ ‏"‏ ‏.‏ فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَذَّنَ بِغَلَسٍ فَصَلَّى الصُّبْحَ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالظُّهْرِ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ عَنْ بَطْنِ السَّمَاءِ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْعَصْرِ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْمَغْرِبِ حِينَ وَجَبَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْعِشَاءِ حِينَ وَقَعَ الشَّفَقُ ثُمَّ أَمَرَهُ الْغَدَ فَنَوَّرَ بِالصُّبْحِ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالظُّهْرِ فَأَبْرَدَ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْعَصْرِ وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ نَقِيَّةٌ لَمْ تُخَالِطْهَا صُفْرَةٌ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْمَغْرِبِ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ الشَّفَقُ ثُمَّ أَمَرَهُ بِالْعِشَاءِ عِنْدَ ذَهَابِ ثُلُثِ اللَّيْلِ أَوْ بَعْضِهِ - شَكَّ حَرَمِيٌّ - فَلَمَّا أَصْبَحَ قَالَ ‏"‏ أَيْنَ السَّائِلُ مَا بَيْنَ مَا رَأَيْتَ وَقْتٌ ‏"‏ ‏.

বুরায়দাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে নবী (ﷺ) তাকে বললেন: তুমি আমাদের সাথে সালাত আদায় করো (জানতে পারবে)। অতঃপর ফজরের সালাতের জন্য বিলাল (রাঃ)-কে আজান দিতে আদেশ করলে তিনি (বিলাল) বেশ কিছু অন্ধকার থাকতে আজান দিলেন। তখন নবী (ﷺ) ঊষার আলো প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন।পরে সূর্য আকাশের মধ্যভাগ থেকে হেলে পড়লে তিনি বিলাল (রাঃ)-কে যুহরের সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং যুহরের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর সূর্য কিছু উপরে থাকতেই তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আসরের সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর মাগরিবের সময় সূর্যাস্তের পরই বিলাল (রাঃ)-কে মাগরিবের আজান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর গোধূলি অন্তর্হিত হলে বিলাল (রাঃ)-কে ইশার আজান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)।পরদিন প্রত্যুষে বেশ ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বিলাল (রাঃ)-কে ফজরের সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং ফজরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর যুহরের সালাতের আজান দিতে বললেন এবং বেশ দেরি করে (সূর্যের উত্তাপ কমলে) যুহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর সূর্য সাদা পরিষ্কার থাকতেই নবী (ﷺ) তাকে আসরের সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন)।এরপর সন্ধ্যা-গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর রাতের এক-তৃতীয়াংশ অথবা কিছু অংশ (বর্ণনাকারী হারামী ইবনু উমারাহ সন্দেহ করেছেন) অতিবাহিত হওয়ার পর ইশার সালাতের আজান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)। পরদিন সকালে তিনি জিজ্ঞেস করলেন (সালাতের সময় সম্পর্কে) প্রশ্নকারী কোথায়? (দুই দিন সালাত আদায়ের) সময়ের মধ্যে তুমি যে ব্যবধান দেখলে তার মাঝখানেই হলো সালাতের সময়।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৬৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ১২৭৯

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন