৫/৫৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৫২ - ভুলে সালাত ছুটে গেলে করণীয়
যে সলাত আদায় করা সম্ভব হয়নি এবং তা করার (সম্পাদনের) ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব
ভুলে সালাত ছুটে গেলে কখন আদায় করবে?
সহীহ মুসলিম : ১৪৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪৫২
حَدَّثَنَا هَدَّابُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " مَنْ نَسِيَ صَلاَةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ " . قَالَ قَتَادَةُ وَأَقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِي.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ কোন সালাত করতে ভুলে গেলে যখন স্মরণ হবে তখনই যেন তা আদায় করে নেয়। এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া আর কোন কাফ্ফারাহ্ তাকে দিতে হবে না। হাদিসের বর্ণনাকারী ক্বাতাদাহ্ তাঁর বর্ণনায় “আমার স্মরণের জন্য সালাত আদায় করো'” - (সূরা ত্ব-হা ২০ : ১৪) এ আয়াতটি উল্লেখ করেছেন।
ই. ফা. ১৪৩৬, ই. সে. ১৪৪৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভুলে সালাত ছুটে গেলে করণীয় খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ কোনো সালাত করতে ভুলে গেলে যখন তার স্মরণ হবে, তখনই যেন তা আদায় করে। এ ছাড়া তার জন্য আর কোনো কাফফারা নেই। অর্থাৎ ভুলে যাওয়ার পরে যখন মনে পড়বে, তখন দেরি না করে সালাত আদায় করাই মূল কাজ। এখানে সালাতের কাযা, ভুলে নামাজ মিস হওয়া এবং স্মরণ হলে নামাজ পড়ার শিক্ষা সরাসরি এসেছে। বর্ণনাকারী কাতাদা (রহ.) “আমার স্মরণের জন্য সালাত আদায় করো” আয়াতটি উল্লেখ করেছেন। তাই হাদিসটির মূল বার্তা হলো, ভুল হয়ে গেলে অবহেলায় না রেখে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর স্মরণে ফিরে আসা এবং সালাত আদায় করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভুলে সালাত ছুটে গেলে স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদায় করতে হয়।
- এ অবস্থার কাফফারা হলো সালাত আদায় করা।
- ভুল বুঝতে পারার পর দেরি করা উচিত নয়।
- সালাত আল্লাহর স্মরণের বড় মাধ্যম।
