৬/২৫. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬৬৭ - কদরের রাতে জাগরণের ফজিলত

রমাযানে তারাবীহ সলাত আদায় করা প্রসঙ্গে উৎসাহ প্রদান করা

কদরের রাতে জাগরণের ফজিলত

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৬৬৭

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنِي وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ يَقُمْ لَيْلَةَ الْقَدْرِ فَيُوَافِقُهَا - أُرَاهُ قَالَ - إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ».

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কদরের রাতে জাগরণ করতে গিয়ে তা পেয়ে গেল, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। (রাবী বলেন) আমার মনে হয় তিনি ‘ঈমান ও সওয়াবের আশায়’ কথাটি বলেছেন।

ই.ফা. ১৬৫২, ই.সে. ১৬৫৯

সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬৬৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে লাইলাতুল কদর বা কদরের রাতের বিশেষ মর্যাদা খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি কদরের রাতে জাগরণ করে এবং সে রাত পেয়ে যায়, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। বর্ণনাকারী মনে করেছেন, এখানে ঈমান ও সাওয়াবের আশায় কথাটিও বলা হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, রাত জাগা শুধু অভ্যাস বা আবেগের বিষয় নয়; তা হতে হবে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং তাঁর কাছ থেকে প্রতিদানের আশা নিয়ে। কদরের রাতের আমল, রাতের সালাত, দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা—এসব বিষয় এই হাদিসের সাথে সরাসরি যুক্ত। এটি মুসলিমকে রমজানের শেষ রাতগুলোতে সচেতন হতে উৎসাহ দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কদরের রাতে জাগরণ ক্ষমা লাভের একটি বড় কারণ হতে পারে।
  • আমল করার সময় ঈমান ও সাওয়াবের আশা থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
  • রমজানের রাতগুলো অবহেলা না করে ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
  • কদরের রাত পেলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় দয়া।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন