৭/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৩০ - সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব
সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ১৭৩০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৩০
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ " مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) পর্যন্ত এর সানাদ সূত্রটি পৌছিয়েছেন। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন নবীর উত্তম ও মিষ্টি করে কোরআন তিলাওয়াত আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনে থাকেন অন্য কোন জিনিস সেভাবে শুনেন না।
ই.ফা.১৭১৫, ই.সে. ১৭২২
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতের মর্যাদা বোঝানো হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো নবী যখন উত্তম ও মিষ্টি কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করেন, আল্লাহ তা বিশেষভাবে শুনে থাকেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো—কুরআন পড়া শুধু শব্দ উচ্চারণ নয়; বরং মনোযোগ, শ্রদ্ধা এবং সুন্দরভাবে পাঠ করার বিষয়। ‘সুমিষ্ট কণ্ঠে কুরআন’ বলতে এমন পাঠ বোঝায়, যা কুরআনের মর্যাদা রাখে এবং শ্রোতার মনেও প্রভাব ফেলে। তবে এই হাদিস থেকে শুধু বাহ্যিক সুর নয়, বরং কুরআনের প্রতি ভালোবাসা ও যত্নের কথাও বোঝা যায়। মুমিন যখন কুরআন তিলাওয়াত করে, তখন তার চেষ্টা হওয়া উচিত স্পষ্টভাবে, সুন্দরভাবে এবং আদবের সাথে পড়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন তিলাওয়াত সুন্দর ও যত্নসহকারে করা উচিত।
- কুরআন পড়ার সময় মনোযোগ ও আদব রাখা দরকার।
- সুন্দর কণ্ঠ কুরআন তিলাওয়াতে ভালো প্রভাব ফেলতে পারে।
- কুরআনের মর্যাদা রেখে পাঠ করা মুমিনের শিক্ষা।
