৭/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৩৪ - উচ্চস্বরে সুমিষ্ট কুরআন তিলাওয়াত
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব
উচ্চস্বরে সুমিষ্ট কুরআন পাঠের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ১৭৩৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৩৪
وَحَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا هِقْلٌ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ كَأَذَنِهِ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন নবী কর্তৃক সুমিষ্ট কণ্ঠে উচ্চস্বরে কোরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনেন অন্য কিছুই আর সেভাবে শুনেন না।
ই.ফা. ১৭১৯, ই.সে. ১৭২৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো নবী যখন সুমিষ্ট কণ্ঠে উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করেন, আল্লাহ তা যেভাবে শুনেন, অন্য কিছু সেভাবে শুনেন না। এখানে কুরআন তিলাওয়াতের সুন্দর রূপ তুলে ধরা হয়েছে। উচ্চস্বরে পড়া বলতে এমন পাঠ বোঝায় যা স্পষ্ট, শ্রবণযোগ্য এবং সম্মানজনক। সুমিষ্ট কণ্ঠে কুরআন পড়া মুমিনকে তিলাওয়াতে আরও মনোযোগী করে এবং শ্রোতাকেও কুরআনের দিকে টানে। তবে হাদিসের মূল শিক্ষা হলো কুরআনের মর্যাদা রেখে সুন্দরভাবে পাঠ করা। শুধু কণ্ঠের সৌন্দর্য নয়, বরং কুরআনের প্রতি ভালোবাসা, বিনয় এবং আন্তরিকতা দরকার। এই কারণে কুরআন তিলাওয়াতের আদব শেখা এবং নিয়মিত চর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উচ্চস্বরে কুরআন পড়লে তা স্পষ্ট ও শ্রবণযোগ্য হওয়া উচিত।
- সুমিষ্ট তিলাওয়াত কুরআনের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে পারে।
- কুরআনের মর্যাদা রেখে কণ্ঠ ব্যবহার করা দরকার।
- তিলাওয়াতে সৌন্দর্যের সাথে আন্তরিকতাও থাকা উচিত।
