১/৫২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৬ - জান্নাতী মানুষ হিসেবে সাবিত (রাঃ)
‘আমাল বিনষ্ট হওয়া সম্পর্কে মু‘মিনের আশঙ্কা
সাবিত (রাঃ): জান্নাতী মানুষ আমাদের মাঝে চলতেন
সহীহ মুসলিম : ২১৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২১৬
وَحَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الأَسَدِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَذْكُرُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ. وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ. وَلَمْ يَذْكُرْ سَعْدَ بْنَ مُعَاذٍ وَزَادَ فَكُنَّا نَرَاهُ يَمْشِي بَيْنَ أَظْهُرِنَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন এ আয়াত নাযিল হলো…। এতেও সা’দ ইবনু মু’আয-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাঁকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন।
ই.ফা. ২১৭; ই.সে. ২২৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার আরেকটি বর্ণনা এসেছে। আয়াত নাজিলের পর সাবিত (রাঃ)-এর ভয়, তাঁর ঘরে বসে থাকা এবং নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষ থেকে তাঁর জন্য জান্নাতের সুসংবাদ—এই মূল ঘটনা আগের মতোই বোঝা যায়। এই বর্ণনায় সা’দ ইবন মু’আয (রাঃ)-এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে একটি বাড়তি কথা এসেছে: সাহাবিরা তাঁকে নিজেদের মাঝে চলাফেরা করা জান্নাতী মানুষ মনে করতেন। এতে বোঝা যায়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর দেওয়া সুসংবাদ সাহাবিদের কাছে কত বড় মর্যাদার বিষয় ছিল। একই সঙ্গে এই হাদিসে নবীর প্রতি আদব, আমল নষ্ট হওয়ার ভয় এবং আল্লাহর দয়ার আশার শিক্ষা একসঙ্গে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর সুসংবাদ সাহাবিদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ছিল।
- সাবিত (রাঃ)-এর ভয় তাঁর ঈমানি সতর্কতার পরিচয় দেয়।
- আদব রক্ষা করা মুমিনের চরিত্রের অংশ।
- সৎ মানুষের মর্যাদা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ঘোষণায় জানা যায়।
