১৪/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪২৯ - সাহরি ও ফজরের আযান
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই
সাহরি শেষের নির্দেশনা: একই মর্মের বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৪২৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪২৯
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ২৪০৬, ই.সে. ২৪০৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আয়িশা (রাঃ) থেকে আগের হাদিসের মতো একই মর্ম এসেছে। মূল কথা হলো—বিলাল (রাঃ)-এর রাতের আযান সাহরি বন্ধ করার আযান নয়। সাহরি খাওয়া চলবে যতক্ষণ না ইবনু উম্মু মাকতুমের আযান শোনা যায়। যদিও এই বর্ণনার অনুবাদ সংক্ষিপ্ত, তবে আরবি বক্তব্যে আগের বর্ণনার সঙ্গে একই বিষয় যুক্ত হয়েছে। তাই এখানে শিক্ষাটি একই: রোজা শুরু করার সময় বুঝতে ফজরের আযানকে ধরতে হবে, রাতের আগাম আযানকে নয়। এই হাদিস রোজাদারকে সাহরি, ফজর, আযান ও পানাহারের শেষ সময় সম্পর্কে সরল ও নিরাপদ ধারণা দেয়। এটি একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনা থাকার গুরুত্বও দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয়ে একাধিক বর্ণনা থাকলে নির্দেশনা আরও স্পষ্ট হয়।
- বিলালের আযান সাহরি বন্ধের জন্য ছিল না।
- ফজরের আযান পর্যন্ত সাহরি খাওয়ার অনুমতি বোঝা যায়।
- রোজার সময় ঠিকভাবে বুঝে আমল করা দরকার।
