১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮০৫ - জিলহজ্জে উমরার ইহরামের নির্দেশ
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
জিলহজ্জে উমরার ইহরামের নির্দেশ
সহীহ মুসলিম : ২৮০৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮০৫
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ خَرَجْنَا مُوَافِينَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ لاَ نَرَى إِلاَّ الْحَجَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يُهِلَّ بِعُمْرَةٍ فَلْيُهِلَّ بِعُمْرَةٍ» . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ عَبْدَةَ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যিলহজ মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কাছাকাছি সময়ে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে রওনা হলাম। হজ করা ছাড়া আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ‘উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে তাই করুক............ হাদীসের অবশিষ্ট অংশ ‘আব্দাহ্’ (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ।
ই.ফা. ২৭৮২,ই.সে. ২৭৮০
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রাঃ বলেন, জিলহজ্জ মাসের নতুন চাঁদ ওঠার কাছাকাছি সময়ে তাঁরা রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে রওনা হন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল হজ্জ। তখন রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে উমরার ইহরাম বাঁধুক। এরপর বর্ণনায় বলা হয়েছে, হাদিসের অবশিষ্ট অংশ আগের আব্দাহ রহঃ-এর বর্ণনার মতো। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় মূলত সংক্ষিপ্ত অংশটুকুকেই সামনে রাখা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সেই সফরে উমরার ইহরাম বাঁধার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। একই ঘটনার দীর্ঘ বর্ণনায় আয়িশা রাঃ-এর হায়জ, হজ্জের ইহরাম এবং পরে তানঈম থেকে উমরার বিষয় এসেছে। তবে এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় সংক্ষিপ্তভাবে উমরার ইহরামের কথাই বেশি স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জিলহজ্জের শুরুতে সাহাবাগণ হজ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
- নবী صلى الله عليه وسلم উমরার ইহরাম বাঁধার সুযোগের কথা বলেন।
- এই বর্ণনা আগের দীর্ঘ বর্ণনার সংক্ষিপ্ত রূপ।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত অংশ আলাদা করে না বাড়ানো উচিত।
