১৬/১৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮০৮ - হায়জ অবস্থায় হজের বিধান

ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে

হায়জ অবস্থায় হজ: তাওয়াফের আগে পবিত্রতার শিক্ষা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮০৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ، عُيَيْنَةَ - قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْخَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ ﷺ وَلاَ نُرَى إِلاَّ الْحَجَّ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِسَرِفَ أَوْ قَرِيبًا مِنْهَا حِضْتُ فَدَخَلَ عَلَىَّ النَّبِيُّ ﷺ وَأَنَا أَبْكِي فَقَالَ «أَنَفِسْتِ» . يَعْنِي الْحَيْضَةَ . - قَالَتْ - قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " إِنَّ هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ فَاقْضِي مَا يَقْضِي الْحَاجُّ غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ حَتَّى تَغْتَسِلِي» . قَالَتْ وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ .

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা একমাত্র হজের উদ্দেশে নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা ‘সারিফ’ নামক স্থানে বা এর কাছাকাছি পৌঁছলে আমার মাসিক ঋতু শুরু হয়ে যায়। নবী (ﷺ) আমার নিকট এলেন এবং আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হায়য হয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা এটা আদাম (আঃ)-এর কন্যাদের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছেন। অতএব তুমি হজের যাবতীয় অনুষ্ঠান পূর্ণ কর, শুধু (হায়যকাল শেষ হবার পর) গোসল না করা পর্যন্ত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবে না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সহধর্মিণীগণের পক্ষ থেকে গরু কুরবানী করেন।

ই.ফা. ২৭৮৫, ই.সে. ২৭৮৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮০৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ)-এর হজের সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এসেছে। তিনি সারিফের কাছে পৌঁছে ঋতুমতী হন এবং কাঁদতে থাকেন। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, এটি আল্লাহ আদমের কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। এরপর তিনি তাঁকে নির্দেশ দেন, হাজিরা যা করে সেসব কাজ তিনি করবেন, কিন্তু গোসল না করা পর্যন্ত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবেন না। এখানে হায়জ অবস্থায় হজের বিধান সহজভাবে বোঝা যায়। হজের অন্যান্য কাজ করা যাবে, তবে কাবা তাওয়াফের জন্য পবিত্রতা দরকার। হাদিসে আরও এসেছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানি করেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হায়জ নারীদের স্বাভাবিক বিষয়; এতে নিজেকে দোষী ভাবার সুযোগ নেই।
  • হায়জ অবস্থায় হজের কাজ করা যায়, তবে কাবা তাওয়াফ করা যাবে না।
  • তাওয়াফের আগে পবিত্র হওয়া ও গোসল করা জরুরি।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সমস্যার সময় কোমলভাবে সান্ত্বনা দিতেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন