১৬/২৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৬৮ - সাহাবিদের তামাত্তু হজের আমল
তামাত্তু‘ হাজ্জের বৈধতা
সাহাবিদের তামাত্তু হজ: সুন্নাহর স্পষ্ট আমল
সহীহ মুসলিম : ২৮৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৬৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - قَالَ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهِ الْقُرْآنُ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে তামাত্তু’ হজ করেছি। এ বিষয়ে কোরআনে কোন আয়াত নাজিল হয়নি। এক ব্যক্তি ইচ্ছামত যা বলার, তাই বললেন।
ই.ফা. ২৮৪৪, ই.সে. ২৮৪৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, সাহাবিরা রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে তামাত্তু হজ করেছেন। বর্ণনাকারী আরও বলেন, এ বিষয়ে কুরআনে কোনো আয়াত নাজিল হয়নি যা তাদের সেই আমলকে বন্ধ করে দেয়। তারপর একজন ব্যক্তি নিজের মত অনুযায়ী কথা বলেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো, সাহাবিরা তামাত্তু হজকে শুধু মতের ওপর নয়, রাসূলের সঙ্গে করা বাস্তব আমলের ওপর ভিত্তি করে বুঝেছেন। হজ ও উমরার বিধান নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এ হাদিস গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে সাহাবিদের সরাসরি অংশগ্রহণের কথা আছে। সাধারণ মানুষের জন্য শিক্ষা হলো, দ্বীনের বিষয়ে শুনে শুনে সিদ্ধান্ত না নিয়ে রাসূলের সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনার দিকে ফিরে যেতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবিরা রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে তামাত্তু হজ করেছেন।
- দ্বীনের বিষয়ে বাস্তব সুন্নাহ ব্যক্তিগত মতের চেয়ে শক্তিশালী।
- হজের মাসআলা বুঝতে সাহাবিদের আমল গুরুত্বপূর্ণ।
- কোনো বিষয়ে কথা বলার আগে তার দলিল জানা দরকার।
