১৬/৩২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯০৮ - তাওয়াফের পর ইহরামমুক্তি
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো
তাওয়াফের পর ইহরামমুক্তির সুন্নাত
সহীহ মুসলিম : ২৯০৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯০৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ الأَعْرَجَ، قَالَ قَالَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي الْهُجَيْمِ لاِبْنِ عَبَّاسٍ مَا هَذِهِ الْفُتْيَا الَّتِي قَدْ تَشَغَّفَتْ أَوْ تَشَغَّبَتْ بِالنَّاسِ أَنَّ مَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ فَقَدْ حَلَّ فَقَالَ سُنَّةُ نَبِيِّكُمْ ﷺ وَإِنْ رَغِمْتُمْ .
আবূ হাস্সান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবূ হাস্সান আ’রাজ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আল হুযায়ম গোত্রের এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, আপনি এ কী ফাতাওয়া দিচ্ছেন যা নিয়ে লোকেরা জটিলতায় পড়েছে? (তা এই) যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করবে, সে ইহরামমুক্ত হতে পারবে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা তোমাদের নবী (ﷺ)-এর সুন্নাত, তা তোমাদের মনঃপুত হোক বা না হোক।
ই.ফা. ২৮৮৪, ই.সে. ২৮৮৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বায়তুল্লাহর তাওয়াফের পর ইহরামমুক্ত হওয়ার বিষয়টি এসেছে। এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, তিনি এমন ফাতওয়া কেন দিচ্ছেন, যা নিয়ে মানুষ জটিলতায় পড়েছে। বিষয়টি ছিল—যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে, সে ইহরামমুক্ত হতে পারবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) উত্তরে বলেন, এটা তোমাদের নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত, তা তোমাদের পছন্দ হোক বা না হোক। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হজ্জ ও উমরার বিধানে ব্যক্তিগত অস্বস্তির চেয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাওয়াফ, ইহরামমুক্তি এবং সুন্নাত—এই তিনটি বিষয় এই বর্ণনার কেন্দ্রে আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত জানার পর তা মানার মনোভাব রাখা উচিত।
- হজ্জ ও উমরার বিষয়ে ব্যক্তিগত ধারণার চেয়ে প্রমাণকে গুরুত্ব দিতে হয়।
- তাওয়াফের পর ইহরামমুক্তির আলোচনা সাহাবিদের যুগেও প্রশ্নের বিষয় ছিল।
