১৬/৪০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫২ - হাজরে আসওয়াদ ও পাশের রুকন
ত্বওয়াফের সময় দুই রুকনে ইয়ামানীতে চুম্বন করা মুস্তাহাব, অপর দুই (শামী) রুকন ব্যতীত
হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৯৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৫২
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَسْتَلِمُ مِنْ أَرْكَانِ الْبَيْتِ إِلاَّ الرُّكْنَ الأَسْوَدَ وَالَّذِي يَلِيهِ مِنْ نَحْوِ دُورِ الْجُمَحِيِّينَ .
সালিম (রহঃ) তার পিতার হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রুক্নে আসওয়াদ (হাজারে আসওয়াদ সংযুক্ত কোণ) এবং তৎসংলগ্ন দিকের কোণ যা জুমাহী গোত্রের বসতির দিকে অবস্থিত, ব্যতীত বায়তুল্লাহর আর কোন রুকন স্পর্শ করতেন না।
ই.ফা. ২৯২৮, ই.সে. ২৯২৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বায়তুল্লাহর রুকনগুলোর মধ্যে রুকনে আসওয়াদ এবং তার পাশে জুমাহী গোত্রের ঘরগুলোর দিকের কোণ ছাড়া অন্য কোনো রুকন স্পর্শ করতেন না। এই বর্ণনা আগের হাদিসগুলোর মতো তাওয়াফে রুকন স্পর্শের বিষয়কে নির্দিষ্ট করে দেয়। এখানে মূল কথা হলো, তাওয়াফের সময় সব কোণ বা দেয়াল স্পর্শ করার আমল নবী صلى الله عليه وسلم থেকে বর্ণিত হয়নি; বরং হাজরে আসওয়াদ সংযুক্ত কোণ এবং পাশের নির্দিষ্ট রুকনের কথা এসেছে। তাই হজ বা উমরায় তাওয়াফ করতে গিয়ে রুকন স্পর্শের ক্ষেত্রে এই হাদিস সহজ দিশা দেয়। এতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলকে সীমা হিসেবে নেওয়ার শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে রুকন স্পর্শ নির্দিষ্ট আমল হিসেবে এসেছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم সব রুকন স্পর্শ করতেন না বলে বর্ণনা এসেছে।
- হাজরে আসওয়াদ ও পাশের রুকনের বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে।
- ইবাদতে নিজের ইচ্ছার চেয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
