১৬/৪০. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫৩ - হাজরে আসওয়াদ ও ইয়ামানী রুকন

ত্বওয়াফের সময় দুই রুকনে ইয়ামানীতে চুম্বন করা মুস্তাহাব, অপর দুই (শামী) রুকন ব্যতীত

তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৫৩

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، ذَكَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ لاَ يَسْتَلِمُ إِلاَّ الْحَجَرَ وَالرُّكْنَ الْيَمَانِيَ

আবদুল্লাহ্ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাজারে আসওয়াদ ও রুক্নে ইয়ামানী ব্যতীত আর কিছু স্পর্শ করতেন না।

ই.ফা. ২৯২৯, ই.সে. ২৯২৮

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সূত্রে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাজরে আসওয়াদ এবং রুকনে ইয়ামানী ছাড়া আর কিছু স্পর্শ করতেন না। এটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তাওয়াফের আমল বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। এতে দেখা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর তাওয়াফে রুকন স্পর্শের আমল নির্দিষ্ট ছিল। কা‘বার প্রতি ভালোবাসা থাকলেও সব জায়গা ছোঁয়া বা স্পর্শ করাকে এই হাদিস সমর্থন করে না। বরং হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী—এই দুইটির কথা স্পষ্টভাবে এসেছে। তাই হজ ও উমরায় তাওয়াফ করার সময় রুকন স্পর্শের ক্ষেত্রে নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখা আমলকে অনুসরণ করা উচিত। এই হাদিস ইবাদতে সরলতা, সীমা এবং সুন্নাহ অনুসরণের শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করতেন বলে বর্ণনা এসেছে।
  • তাওয়াফে অতিরিক্ত স্পর্শের বদলে বর্ণিত আমল অনুসরণ করা উচিত।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিসও ইবাদতের নিয়ম বুঝতে সাহায্য করে।
  • সুন্নাহ অনুসরণে নির্দিষ্টতা ও সংযমের শিক্ষা আছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন