১৬/৪০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫১ - কা‘বার কোন রুকন স্পর্শ করা হয়
ত্বওয়াফের সময় দুই রুকনে ইয়ামানীতে চুম্বন করা মুস্তাহাব, অপর দুই (শামী) রুকন ব্যতীত
কা‘বার রুকন স্পর্শ: নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুসরণ
সহীহ মুসলিম : ২৯৫১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৫১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَمْسَحُ مِنَ الْبَيْتِ إِلاَّ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দুই ইয়ামানী রুকন ব্যতীত বায়তুল্লাহর অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখিনি।
ই.ফা. ২৯২৭, ই.সে. ২৯২৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বায়তুল্লাহর দুই ইয়ামানি রুকন ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখেননি। অর্থাৎ তাওয়াফের সময় কা‘বার সব অংশ স্পর্শ করার কথা এখানে নেই; বরং নির্দিষ্ট দুই রুকনের কথা বলা হয়েছে। এই বর্ণনা তাওয়াফের আদব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে কা‘বার বিভিন্ন অংশ ছুঁতে আগ্রহী হতে পারেন, কিন্তু হাদিসে দেখা যাচ্ছে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল ছিল সীমিত ও নির্দিষ্ট। তাই রুকন স্পর্শ, হাজরে আসওয়াদ, রুকনে ইয়ামানী এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফ—এসব বিষয়ে এই হাদিস সহজ নির্দেশনা দেয়। হাদিসটি অতিরিক্ত কাজের বদলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখা আমল অনুসরণ করার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল অনুসরণ করাই মূল বিষয়।
- বায়তুল্লাহর সব অংশ স্পর্শ করার কথা এই বর্ণনায় নেই।
- দুই ইয়ামানি রুকন স্পর্শের বিষয়টি সাহাবীর দেখা আমল থেকে এসেছে।
- ইবাদতে আবেগের পাশাপাশি বর্ণিত সীমা মানা জরুরি।
