১৬/৪০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫৬ - দুই ইয়ামানি রুকন স্পর্শ
ত্বওয়াফের সময় দুই রুকনে ইয়ামানীতে চুম্বন করা মুস্তাহাব, অপর দুই (শামী) রুকন ব্যতীত
দুই ইয়ামানি রুকন: তাওয়াফে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল
সহীহ মুসলিম : ২৯৫৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৫৬
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ قَتَادَةَ بْنَ، دِعَامَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا الطُّفَيْلِ الْبَكْرِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَسْتَلِمُ غَيْرَ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দুই রুক্নে ইয়ামানী ব্যতীত কখনও অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখিনি।
ই.ফা. ২৯৩২, ই.সে. ২৯৩১
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে দুই ইয়ামানি রুকন ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখেননি। হাদিসটি একই বিষয়ের আরও একটি পরিষ্কার বর্ণনা। তাওয়াফের সময় কা‘বার প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল ছিল নির্দিষ্ট। এখানে বায়তুল্লাহর সব অংশ স্পর্শ করার কথা নেই; বরং দুই ইয়ামানি রুকনের কথাই এসেছে। এই বর্ণনা তাওয়াফের নিয়ম, রুকন স্পর্শ এবং সুন্নাহ অনুসরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের ভুল ধারণা দূর করতে সাহায্য করে। সহজভাবে বললে, ইবাদতে যা নবী صلى الله عليه وسلم থেকে দেখা যায়, সেটির ওপর থাকা নিরাপদ পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবন আব্বাস (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখা আমল বর্ণনা করেছেন।
- দুই ইয়ামানি রুকন ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শের কথা এই হাদিসে নেই।
- তাওয়াফে সুন্নাহ অনুসরণে নির্দিষ্ট আমলের গুরুত্ব আছে।
- ভালোবাসা ও সম্মানকে বর্ণিত আমলের ভেতর রাখা উচিত।
