১৬/৪৪. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৭৫ - সাফা-মারওয়ার একবার সাঈ

সা‘ঈ একাধিবার করতে হবে না

সাফা-মারওয়ার মাঝে একবার সাঈ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৭৫

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ لَمْ يَطُفِ النَّبِيُّ ﷺ وَلاَ أَصْحَابُهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلاَّ طَوَافًا وَاحِدًا .

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সাঈ করেননি।

ই.ফা. ২৯৫১, ই.সে. ২৯৪৯

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৭৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের বেশি সাঈ করেননি। এখানে মূল কথা হলো, সাফা-মারওয়ার সাঈ নিয়ে অতিরিক্ততা নয়; নবী صلى الله عليه وسلم ও সাহাবিদের আমল যেমন ছিল, সেটিই অনুসরণীয়। আগের কয়েকটি বর্ণনায় সাঈর গুরুত্ব ও বিধিবদ্ধ হওয়ার কথা এসেছে। এই বর্ণনায় সাঈর সংখ্যা বা পুনরাবৃত্তির বিষয়ে সংক্ষিপ্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়। তাই হজ্জ ও উমরায় সাফা-মারওয়া সাঈ, একবার সাঈ, নবীজির সাঈ পদ্ধতি—এসব বিষয়ে এই হাদিস খুব প্রাসঙ্গিক। হাদিসে শুধু এটুকুই এসেছে যে, নবী صلى الله عليه وسلم ও তাঁর সাহাবীরা একবারের অধিক করেননি। তাই ব্যাখ্যাতেও সেই সীমার ভেতর থাকা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হজ্জের আমলে নবী صلى الله عليه وسلم ও সাহাবিদের পদ্ধতি অনুসরণযোগ্য।
  • সাফা-মারওয়ার সাঈ নিয়ে নিজের থেকে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।
  • ইবাদতের পরিমাণ ও পদ্ধতি দলিলের আলোকে জানা দরকার।
  • সাঈর গুরুত্বের সঙ্গে সাঈর সঠিক সীমাও জানা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন