১৬/৪৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৭৬ - প্রথম সাঈ একবারই যথেষ্ট
সা‘ঈ একাধিবার করতে হবে না
প্রথমবারের সাফা-মারওয়া সাঈ
সহীহ মুসলিম : ২৯৭৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৭৬
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ وَقَالَ إِلاَّ طَوَافًا وَاحِدًا طَوَافَهُ الأَوَّلَ .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “একবার মাত্র সা‘ঈ (সাত চক্কর), তা হচ্ছে প্রথমবারের সা‘ঈ।”
ই.ফা. ২৯৫২, ই.সে. ২৯৫০
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। এখানে অতিরিক্তভাবে বলা হয়েছে, সাফা-মারওয়ার মাঝে একবার মাত্র সাঈ করা হয়েছিল, আর তা ছিল প্রথমবারের সাঈ। অনুবাদে বন্ধনীর মধ্যে সাত চক্করের কথা এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم ও সাহাবিদের আমলে সাফা-মারওয়ার সাঈ নির্দিষ্টভাবে সম্পন্ন হয়েছে; একাধিকবার পুনরাবৃত্তির কথা এখানে নেই। হজ্জ ও উমরার কাজগুলোতে অনেক সময় মানুষ বেশি করার মধ্যে বেশি ভালো মনে করতে পারে। কিন্তু এই হাদিস শেখায়, ইবাদতের আসল সৌন্দর্য হলো নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখানো পদ্ধতিতে থাকা। সাফা-মারওয়া সাঈ, প্রথম সাঈ, একবার সাঈ—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত দলিল হিসেবে কাজ করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়ার সাঈ নবী صلى الله عليه وسلم-এর পদ্ধতি অনুযায়ী নির্দিষ্টভাবে করা হয়।
- ইবাদতে নিজের ইচ্ছায় সংখ্যা বাড়ানো ঠিক নয়।
- প্রথমবারের সাঈর কথাই এই বর্ণনায় বিশেষভাবে এসেছে।
- হজ্জ-উমরার আমল শেখার জন্য সাহাবিদের বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
