১৬/৬৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০৯২ - কুরবানির মেষ হারামে পাঠানো
যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না
কুরবানির মেষ পাঠানো ও হালাল থাকা
সহীহ মুসলিম : ৩০৯২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩০৯২
وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَقَدْ رَأَيْتُنِي أَفْتِلُ الْقَلاَئِدَ لِهَدْىِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْغَنَمِ فَيَبْعَثُ بِهِ ثُمَّ يُقِيمُ فِينَا حَلاَلاً .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি যেন নিজেকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কুরবানী মেষের জন্য মালা তৈরি দেখতে পাচ্ছি। তিনি তা হারামে পাঠিয়ে দেন এবং আমাদের মাঝে অবস্থান করেন ইহ্রামবিহীন ব্যক্তির মতো।
ই.ফা. ৩০৬৭, ই.সে. ৩০৬৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি যেন নিজের চোখে দেখছেন—তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কুরবানির মেষের জন্য মালা তৈরি করছেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সেই পশু হারামে পাঠিয়ে দেন এবং তাঁদের মাঝে ইহরামবিহীন ব্যক্তির মতো অবস্থান করেন। আগের কয়েকটি বর্ণনায় উট বা কুরবানির পশুর কথা এসেছে; এখানে মেষের কথা স্পষ্টভাবে এসেছে। তাই হাদিসটি দেখায় যে হাদী পাঠানোর ক্ষেত্রে শুধু উট নয়, মেষও বর্ণনায় এসেছে। মূল শিক্ষা একই: কুরবানির পশু হারামে পাঠালেও, যদি ব্যক্তি নিজে ইহরামে না থাকে, তবে সে সাধারণ হালাল অবস্থায় থাকতে পারে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও হাদী পাঠানো বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির মেষের জন্যও মালা তৈরি করা হয়েছে।
- হাদী হারামে পাঠানো হলেও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হালাল অবস্থায় ছিলেন।
- বর্ণনাটি হাদী পাঠানো ও ইহরামের পার্থক্য বোঝায়।
