১৭/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৩০৩ - যুবকদের কঠিন অবস্থার বর্ণনা
মুত্‘আহ্ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে
যুবকদের প্রশ্ন ও নবীজির নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৩৩০৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৩০৩
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ كُنَّا وَنَحْنُ شَبَابٌ فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نَسْتَخْصِي وَلَمْ يَقُلْ نَغْزُو.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে বলেন, আমরা ছিলাম যুবক। তাই আমরা বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি খাসি হব না? এতে ‘জিহাদ’ শব্দের উল্লেখ নেই।
ই.ফা. ৩২৭৮, ই.সে. ৩২৭৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৩০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের অনুরূপ ঘটনা এসেছে। তবে এখানে আবদুল্লাহ রাঃ বলেন, আমরা ছিলাম যুবক। তাঁরা রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে বললেন, আমরা কি খাসি হব না? এই সূত্রে জিহাদ শব্দটি উল্লেখ নেই। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, যৌবনের কঠিন চাহিদা সামলাতে শরীরের ক্ষতি করার পথ নেওয়া যাবে না। নবীজি صلى الله عليه وسلم তাঁদের সেই পথ থেকে নিষেধ করেছেন। আগের বর্ণনার মতো এখানে রুকসতের বিষয়ও বোঝা যায়। এই হাদিসে যুবক অবস্থা, সংযমের প্রশ্ন, খোজা হওয়া থেকে নিষেধ এবং হালাল-হারামের সীমা মানার শিক্ষা আসে। ব্যাখ্যায় সনদের ভাষা ধরে কথা বলা জরুরি, কারণ এই সূত্রে কিছু শব্দ আগের বর্ণনার মতো নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুবকদের কঠিন অবস্থার কথা এই বর্ণনায় এসেছে।
- খোজা হওয়ার মতো শরীরের ক্ষতির পথ নবীজি صلى الله عليه وسلم নিষেধ করেছেন।
- এই সূত্রে জিহাদ শব্দটি নেই—এটি বর্ণনাগত পার্থক্য।
- সমস্যার সমাধান নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত পথে খুঁজতে হয়।
