১৮/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৫১২ - মুজাযযিজ ছিলেন একজন কাইফ
ক্বায়িফ কর্তৃক পিতার সাথে সন্তানের সম্পর্ক নিরূপণ
মুজাযযিজ কাইফ ছিলেন—হাদিসের ব্যাখ্যা
সহীহ মুসলিম : ৩৫১২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৫১২
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ، حُمَيْدٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، وَابْنُ، جُرَيْجٍ كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . بِمَعْنَى حَدِيثِهِمْ . وَزَادَ فِي حَدِيثِ يُونُسَ وَكَانَ مُجَزِّزٌ قَائِفًا .
যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে তাদের সানাদে হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত আছে, তিনি ছিলেন একজন ক্বায়িফ।
ই.ফা.৩৪৮৫, ই.সে. ৩৪৮৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৫১২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের একই ঘটনার অনুরূপ। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, ইউনুসের বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে যে মুজাযযিজ ছিলেন একজন কাইফ। কাইফ বলতে এমন ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে যিনি শারীরিক গঠন ও মিল দেখে বংশের সম্পর্ক বুঝতে পারতেন। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বংশ প্রমাণ ও মুজাযযিজের পরিচয়। এটি যায়দ ইবন হারিসা ও উসামা ইবন যায়দের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। অনুরূপ বর্ণনা হওয়ায় ব্যাখ্যার মূল দিকও একই: নবী صلى الله عليه وسلم এমন মন্তব্য শুনে আনন্দিত হয়েছিলেন। এই হাদিসে নতুন করে বড় কোনো বিধান বলা হয়নি; বরং আগের ঘটনার একটি বাড়তি তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুজাযযিজের পরিচয় কাইফ হিসেবে এসেছে।
- অনুরূপ বর্ণনা মূল ঘটনাকে আরও পরিষ্কার করে।
- বংশের মিল বুঝতে শারীরিক সাদৃশ্যের কথা এসেছে।
- হাদিসে অতিরিক্ত তথ্য থাকলে তা সতর্কভাবে আলাদা করে বুঝতে হয়।
