১৯/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৫৯৫ - আয়িশা (রা.)-এর আপত্তির বর্ণনা
বায়িন ত্বলাক্বপ্রাপ্ত[৬১] স্ত্রীর জন্য খোরপোষ নেই
আয়িশা (রা.)-এর আপত্তি: ফাতিমা (রা.)-এর ঘটনা
সহীহ মুসলিম : ৩৫৯৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৫৯৫
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا حُجَيْنٌ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ مَعَ قَوْلِ عُرْوَةَ إِنَّ عَائِشَةَ أَنْكَرَتْ ذَلِكَ عَلَى فَاطِمَةَ.
ইবনু শিহাব (রহঃ) এ সানাদ হতে বর্ণিতঃ
‘উরওয়ার উক্তিসহ বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ্(রাঃ) ফাত্বিমার উক্ত ঘটনা অস্বীকার করেছেন।
ই.ফা. ৩৫৬৫, ই.সে. ৩৫৬৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৫৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আগের ঘটনার সঙ্গে উরওয়াহ (রহ.)-এর বক্তব্যও এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আয়িশা (রা.) ফাতিমা বিনত কায়স (রা.)-এর উক্ত ঘটনা অস্বীকার করেছেন। এখানে পুরো ঘটনার বিস্তারিত নেই, কিন্তু আগের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে বোঝা যায় যে বিষয়টি ছিল তালাকপ্রাপ্তা নারীর স্বামীর ঘর থেকে বের হওয়া এবং ইদ্দতের অবস্থান নিয়ে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সাহাবাদের মাঝে কোনো কোনো বর্ণনা বা তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা ও আপত্তি ছিল। তাই এমন বর্ণনা পড়ার সময় সরাসরি একটি দিক ধরে চূড়ান্ত দাবি না করে পুরো ধারার বর্ণনাগুলো একসঙ্গে দেখা দরকার। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—তালাক, ইদ্দত ও বাসস্থান বিষয়ে কথা বলার সময় বর্ণনার সীমা বুঝে কথা বলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনাকে বুঝতে একই ঘটনার অন্য বর্ণনাও দেখা দরকার।
- আয়িশা (রা.)-এর আপত্তি দেখায় যে বিষয়টি আলোচনার ছিল।
- তালাক ও ইদ্দতের বিষয়ে সতর্কভাবে কথা বলা উচিত।
- বর্ণনার সীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
