২৮/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৭৫ - কসমে শ্রোতার বিশ্বাসের গুরুত্ব
কসম গ্রহণকারীর নিয়্যাত অনুযায়ী কসম হবে
কসমে শ্রোতার বোঝাপড়া ও বিশ্বাস
সহীহ মুসলিম : ৪১৭৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১৭৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، وَقَالَ، عَمْرٌو حَدَّثَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَمِينُكَ عَلَى مَا يُصَدِّقُكَ عَلَيْهِ صَاحِبُكَ " . وَقَالَ عَمْرٌو " يُصَدِّقُكَ بِهِ صَاحِبُكَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমার কসম ঐ উদ্দেশের উপর ধরে নেয়া হবে, যে উদ্দেশের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। ‘আম্র বলেন, এ ভাবে যে, তোমার সঙ্গী যে উদ্দেশ্যে তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
ই.ফা. ৪১৩৭, ই.সে. ৪১৩৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কসমের একটি সূক্ষ্ম দিক শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমার কসম ঐ উদ্দেশ্যের উপর ধরে নেওয়া হবে, যে উদ্দেশ্যের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। অর্থাৎ কসম এমনভাবে করা ঠিক নয়, যাতে কথার ভেতরে এক অর্থ লুকানো থাকে আর শুনে থাকা ব্যক্তি অন্য অর্থ বুঝে। এখানে মূল শিক্ষা হলো সত্যবাদিতা, পরিষ্কার কথা এবং কসমে ফাঁকি না দেওয়া। মানুষ কখনো নিজের মনে আলাদা ব্যাখ্যা রেখে কসম করে অন্যকে বিশ্বাস করাতে চাইতে পারে। এই হাদিস সেই ধরনের অস্পষ্টতা থেকে সতর্ক করে। কসমের নিয়ত, শ্রোতার বিশ্বাস এবং কথার সততা—এই তিনটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কসম করার সময় নিজের ভাষা এমন হওয়া দরকার, যাতে অন্যের বিশ্বাসকে ভুল পথে নেওয়া না হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কসমে কথা এমন হওয়া উচিত, যা শ্রোতাকে ভুল বোঝায় না।
- সঙ্গী যে অর্থে সত্য বলে বিশ্বাস করে, সেটি গুরুত্ব পায়।
- কসমের নামে ফাঁকি বা দ্ব্যর্থ কথা বলা উচিত নয়।
- সত্যবাদিতা কসমের মূল ভিত্তি।
