৩৩/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৪৭৬ - সদাকা বিধানের অনুরূপ বর্ণনা
নাবী (ﷺ)-এর বানী- আমরা (নাবীগন) কাউকে উত্তরাধিকারী রেখে যাই না, আমরা যা কিছু রেখে যাই সবই সদাকাহ (বাইতুল মাল)
নবীজির সম্পদ সদাকা: অনুরূপ সনদের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৪৪৭৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৪৭৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ .
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সনদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
ই.ফা. ৪৪৩২, ই.সে. ৪৪৩৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৪৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। এখানে বলা হয়েছে, একই সানাদে আগের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। আগের হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁর পরিত্যক্ত সম্পদের এক দীনারও বণ্টিত হবে না; স্ত্রীদের ব্যয় এবং দায়িত্বশীল খরচের পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা সদাকা। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা সেই একই মূল বক্তব্যকে সমর্থন করে। হাদিসের জগতে এমন অনুরূপ সনদ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তা একই শিক্ষা একাধিক সূত্রে আসার বিষয়টি বোঝায়। এখানে মূল শিক্ষা সম্পদ বণ্টন নয়, বরং নবীজির নির্দেশিত ব্যবস্থাকে বুঝে নেওয়া। নবীজির সম্পদ, সদাকা, মীরাস এবং পরিবারের ব্যয়—এসব বিষয়ে এই হাদিস আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল রেখে একটি সংরক্ষিত দলিল হিসেবে দাঁড়ায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা মূল অর্থকে শক্ত করে।
- নবীজির সম্পদ সদাকা হওয়ার বিধান পুনরায় সমর্থিত হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দলিল হতে পারে।
- মীরাসের বিষয়ে নবীজির নির্দেশকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
